মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ বা পেন্টাগন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় পেন্টাগন।
এই খবর এমন এক সময়ে এলো যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্প্রতি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে, যদি ইরান পারমাণবিক চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশটিকে ‘খুবই বেদনাদায়ক’ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
গত মাসের শেষ দিকে, ট্রাম্প ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন নামে একটি বিমানবাহী রণতরী ও এর সঙ্গী যুদ্ধজাহাজগুলোকে উপসাগর এলাকায় পাঠিয়েছেন। এটি ছিল ইরানের বিরোধী আন্দোলন দমন ও সরকারের কঠোর পদক্ষেপের মধ্যে চাপ সৃষ্টি করার অংশ। ওই রণতরী ও তার সঙ্গী জাহাজগুলো এখনো ওই অঞ্চলে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড ও এর সঙ্গী যুদ্ধজাহাজগুলোকে ক্যারিবিয়ান সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিবিএস নিউজ এ খবর জানিয়েছে, যেখানে অজ্ঞাত পরিচয়ের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড প্রথমে জুনে মোতায়েন করা হয়েছিল ও পরে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই রণতরীর কিছু যুদ্ধবিমান ভেনেজুয়েলায় ৩ জানুয়ারি চালানো সন্ত্রাসী অভিযানে অংশ নিয়েছিল, যেখানে দেশটির নেতা নিকোলাস মাদুরো আটক হন।
তবে এখনো পরিষ্কার নয় যে, ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বা ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন কতদিন মধ্যপ্রাচ্যে থাকবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: এএফপি
এসএএইচ