জাতীয়

মন্ত্রিসভার আকার কেমন হওয়া উচিত?

নতুন সরকার গঠন হতে যাচ্ছে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। ওইদিন বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এখন আলোচনা নতুন মন্ত্রিসভা কত সদস্যের হতে চলেছে, কাদেরই বা স্থান হচ্ছে সেখানে?

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার, সংসদীয় সরকার, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রিসভা/উপদেষ্টা পরিষদের বিভিন্ন আকৃতি ছিল। সর্বোচ্চ ৬২ সদস্যের মন্ত্রিসভাও দেখা গেছে। কিন্তু, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিসভার আকার কত হওয়া উচিত সেই বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক, জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভিন্ন মত রয়েছে।

তবে বাংলাদেশে মন্ত্রিসভার আকার ৪০ জনের মধ্যে থাকা উচিত বলে মনে করেন বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষক। কেউ কেউ ৫০ সদস্যকে আদর্শ মনে করেন। তবে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন মন্ত্রিসভার আকার ৩৫ করার সুপারিশ করেছে।

আরও পড়ুনজনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো: তারেক রহমানতারেক রহমানের মন্ত্রিসভা ঘিরে আলোচনায় যারানতুন সরকারের কাছে শান্তি ও স্বস্তি চায় সাধারণ মানুষনতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে গণভোটও হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন। দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ওইদিন বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মন্ত্রিসভার আকারের বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভা মাঝারি হলেই তো ভালো হয়। একদম ছোট হলেও অসুবিধা বা বড় হলেও মাথাভারী মন্ত্রিসভা হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘সংখ্যার দিক থেকে মন্ত্রিসভার আকার ৪০ জনের মধ্যে রাখলেই চলে। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী সব মিলিয়েই এ সংখ্যা রাখা উচিত। পরে আস্তে আস্তে প্রয়োজন হলে বাড়াবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের দেশের যে আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা ও অর্থনৈতিক অবস্থা, সেদিকে তাকিয়ে একটি মাঝারি ধরনের মন্ত্রিসভা গঠন করাটাই সমীচীন হবে। বেশি বড় কিংবা ছোট করা ঠিক হবে না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির যে দলীয় প্রধান আছেন, তিনি সবাইকে নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ একটি মন্ত্রিসভা গঠন করবেন এটাই সবার প্রত্যাশা।’

আরও পড়ুনআজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন: তারেক রহমানকবে গঠিত হবে নতুন সরকার?মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাবেন এক হাজার মানুষনতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার বিকেলে

‘তাই সার্বিক বিষয় বিবেচনায় রেখে নতুন মন্ত্রিসভায় ২০ জন থেকে ২৫ জন মন্ত্রী থাকা উচিত। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রীদের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। এছাড়া বাকিরা থাকবেন প্রতিমন্ত্রী। আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের মডেলটা ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি মডেলের আদলে। সেখানে তো মন্ত্রীদের সংখ্যা ১৭/২০/২২ এমনই থাকে। ভারত এটা অনুসরণ করে।’

সোহরাব হোসেন আরও বলেন, ‘নিশ্চয়ই তারা (বিএনপি) বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। কারণ বিএনপি অনেক দিন ক্ষমতার বাইরে ছিল, তাই তারা ক্ষমতার বাইরে থাকার যন্ত্রণাটা ভোগ করেছে। তারেক রহমান কথাবার্তায় পরিপক্কতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আশা করি মন্ত্রিসভা গঠনেও তার প্রতিফলন থাকবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আরেক অধ্যাপক ড. সাব্বির আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘একজন মন্ত্রী আর একজন প্রতিমন্ত্রীসহ আপনি মন্ত্রণালয়ের হিসাব করেন; তবে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় যেমন- অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়- এই চারটা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত যোগ্য লোক দিয়ে বসানো দরকার। অত্যন্ত যোগ্য, দ্য বেস্ট কোয়ালিটি পিপলদের দিয়ে বসানো দরকার।’

তিনি বলেন, ‘এখন যে মন্ত্রণালয়গুলো আছে সেগুলো যদি আমরা ধরি। আমার মনে হয় এটা (মন্ত্রিসভা) ৫০ জনের বেশি হওয়া উচিত নয়।’

‘৫০-ই ঠিক আছে। এটা লাগবে এখনকার যে পরিবেশ, সেই হিসেবে বিচার করলে। মানে ৫০-এর মধ্যে থাকছে এটা স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরে নেওয়া যায় আমাদের যে প্রেক্ষাপট।’

সাব্বির আহমেদ আরও বলেন, ‘আরেকটা জিনিস, মন্ত্রীরা যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা পান, সেগুলো একটু কমানো দরকার। বিশেষ করে যে গাড়ি ব্যবহার করেন, এই গাড়ি আসলে আমাদের মতো দেশের জন্য বিলাসিতা। তিন-চার কোটি টাকা দিয়ে গাড়ি কেনা, সেই গাড়ি যদি মন্ত্রীদের দেওয়া হয়, এটা চরম বিলাসিতা। ভারতের দিকে তাকালে বুঝা যায় যে আমরা কত বিলাসিতার মধ্যে আছি। এখানে একটা কৃচ্ছ্রসাধন দরকার। কৃচ্ছ্রসাধন দরকার এই সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে।’

মন্ত্রিসভার আকারের বিষয়ে সাবেক সচিব ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম আব্দুল আউয়াল মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখানে আমি তো মনে করি এটা ৪০-এর মধ্যে থাকা বাঞ্ছনীয়। ৪০-এর বেশি আসলে এটা মাথাভারী হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘এক সময় তো ম্যাডাম খালেদা জিয়া যখন ১৯৯১-তে ক্যাবিনেট গঠন করলেন তখন তো ধরেন ১০ জন ছিল প্রথম ফুল মন্ত্রী, বাকিরা সবাই প্রতিমন্ত্রী।’

‘উপমন্ত্রীর আসলে কোনো কাজ আছে বলে বা উপমন্ত্রী করার আমি পক্ষে না। ভারত ও পাকিস্তানে কখনো কোনো উপমন্ত্রী আমার চোখে পড়েনি। প্রতিমন্ত্রী আছে দুই জায়গাতেই’ বলেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ আব্দুল আউয়াল মজুমদার।

আরও পড়ুনযে কোনো মূল্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে: তারেক রহমাননতুন সরকারের শপথে ভারত, চীনসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণমন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিলমন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্বে সিরাজ উদ্দিন মিয়া

সাবেক আমলা ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রথম অবস্থায় অত বেশি বড় করা ঠিক হবে না। প্রথম অবস্থায় মন্ত্রিসভার আকার ৩০ থেকে ৪০ জনের মধ্যে হলে ভালো হয়। পরবর্তী পর্যায়ে অবস্থা বুঝে কলেবর যদি বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হয় তখন বৃদ্ধি করতে পারে। প্রথম অবস্থায় বেশি করলে তখন ওইটা আবার গুছাতে অসুবিধা হয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘অর্থ, বাণিজ্য, স্বরাষ্ট্র—এই তিনটা মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করি। সেখানে যাতে দক্ষ লোকজন বসানো হয়। তাহলে তারা ভালো চালাতে পারবে। আর এখন তো জনপ্রশাসনটা একটা বিশৃঙ্খল অবস্থায় আছে। এই জনপ্রশাসনকে শৃঙ্খলায় আনার জন্য তো দক্ষ লোক দরকার। জনপ্রশাসন হয়তো বা প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই থাকবে আপাতত, তবে প্রতিমন্ত্রী থাকতে পারে।’

যা আছে সংস্কার প্রস্তাবে

জনপ্রশাসন সংস্কারে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে কমিশন।

সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সংখ্যা কমিয়ে ৩৫ করার সুপারিশ করে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। বর্তমানে মোট ৪৩টি মন্ত্রণালয় এবং ৬১টি বিভাগ রয়েছে। একই সঙ্গে কমিশন মন্ত্রণালয়গুলোকে যুক্তিসঙ্গতভাবে কমিয়ে সরকারের সব মন্ত্রণালয়গুলোকে মোট ২৫টি মন্ত্রণালয় ও ৪০টি বিভাগে পুনর্বিন্যাস করার সুপারিশ করে।

মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা পুনর্বিন্যাসের যৌক্তিকতার বিষয়েও কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কমিশন বলেছে, বিগত ৫৩ বছরে সরকারের মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ১৫ থেকে ৩৬টিতে ওঠানামা করেছে। কোনো কোনো সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় অযৌক্তিকভাবে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই বিষয়ে একাধিক মন্ত্রণালয় কাজ করে। যেমন নারীদের কল্যাণে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যেমন প্রকল্প আছে, তেমনি মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়েরও কর্মসূচি আছে। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি একাধিক মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। এর ফলে একদিকে সরকারের ব্যয় বেড়েছে, অন্যদিকে জনপ্রশাসনের কাজের মাত্রা ও দক্ষতাও কমেছে। অতীতের সংস্কার কমিশনগুলোও মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানোর সুপারিশ করেছে; কিন্তু তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি।

প্রতিবেদনে ২৩ জন মন্ত্রী রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এ ছাড়া ১২ জন প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী রাখার কথা বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়গুলো কমানোর পাশাপাশি কোন মন্ত্রণালয় কাদের সঙ্গে একীভূত হবে, সেই সুপারিশও করেছে কমিশন। রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এখনকার মতোই আপন বিভাগ ও জনবিভাগ নিয়ে চলবে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে আছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিশনের প্রস্তাবে কেবল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রাখার কথা বলা হয়েছে। আর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ একীভূত হবে। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। এই মন্ত্রণালয়ে মুখ্য সচিব এবং সামরিক সচিব রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও প্রধানমন্ত্রীর হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই মন্ত্রণালয়ে একজন প্রতিমন্ত্রী থাকবেন, আর সচিব থাকবেন একজন। অর্থ মন্ত্রণালয়ে এখনকার মতো তিনটি বিভাগ (অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) থাকবে। এখানে একজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি একজন মুখ্য অর্থসচিব এবং তিনজন সচিব রাখার কথা বলেছে কমিশন।

শিল্প, বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়কে একীভূত করে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় করার প্রস্তাব করেছে কমিশন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলওয়ে মন্ত্রণালয়কে এক করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়; শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে একীভূত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় করার কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা, মাদরাসা ও কারিগরি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগ নামে আলাদা তিনটি বিভাগ থাকবে। এভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় একীভূত করে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিগত মন্ত্রিসভাগুলোর আকার যেমন ছিল

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী কতজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন, তা ঠিক করেন প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত মেয়াদে মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা ছিল ৪৪। ২০১৯ থেকে ২০২৪ মেয়াদে মন্ত্রিসভার সদস্য ছিল ৪৯। ২০১৪-২০১৯ সরকারের মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৫৯। ২০০৯-২০১৪ সরকারের মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৬২, এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মন্ত্রিসভা।

১৯৯১-১৯৯৬ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিল ৫০ জন। ১৯৯৬-২০০১ সরকারের মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৪৯। ২০০১-২০০৬ সরকারের মন্ত্রিসভায় সদস্য ছিল ৬০ জন।

আরএমএম/এমএমএআর