জাতীয়

যানজটে আটকা নতুন প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর, তবুও বন্ধ করা হয়নি কোনো সড়ক

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার বেলা ১১টায় সাভারে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি।  

এরপর সেখানে থেকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যান। সেখানে পৌঁছানোর আগে ওই সড়কে এক অভূতপূর্ব মুহূর্তের অবতারণা হয়।

এদিন দুপুর ১২টায় নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে জিয়া উদ্যানে বাবা-মায়ের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান এবং মাজার জিয়ারত করেন। তবে মূল সড়ক দিয়ে উদ্যানে প্রবেশ করার সময় প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে রাষ্ট্রীয় পতাকা বহন করা হয়নি। বন্ধ রাখা হয়নি সর্বসাধারণের চলাচলও।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি নিজে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারের সামনে উপস্থিত ছিলাম এবং দেখেছি, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে দেশের বা রাষ্ট্রীয় পতাকা বহন করা হয়নি।’

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর এ কর্মসূচির সময় বিশেষ কোনো রাস্তা বা এলাকা বন্ধ রাখা হয়নি। ফলে শেরেবাংলা নগরের যানজটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর দীর্ঘ সময় আটকে ছিল।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত কোনো সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গেলে আগে থেকেই সেই সড়কে সর্বসাধারণ ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন জিয়া উদ্যানে আসছিলেন তখন তার গাড়িবহরের জন্য কোনো রাস্তা বন্ধ করা হয়নি।

মূলত, জনসাধারণের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এছাড়া একজন প্রধানমন্ত্রী যে নিজেকে সাধারণ মানুষের কাতারে ভাবতে পারেন এটি তারই উদাহরণ। এ ঘটনার পর অনেকে বিভিন্ন মাধ্যমে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন।

এদিন জিয়া উদ্যান থেকে বেরিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে প্রবেশ করেন তারেক রহমান।

কেএইচ/এমকেআর