চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ মো. শাওন (১৬) নামে আরো একজন মারা গেছেন। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা ২ জনে দাঁড়ালো।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ৭টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকালের দিকে দিকে তার মৃত্যু হয়েছে। শাওনের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তার ইনহেলিশন ইনজুরি ছিল।
এর আগে, এই আগুনের ঘটনায় শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী মারা যান। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। বাকি সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানান ডা. শাওন।
আরও পড়ুন
ঢাকায় আনার পথে নারীর মৃত্যু, পরিবারের অন্য ৮ জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনকচট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দগ্ধ ৯ জনকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
এ ঘটনায় আরও সাতজন বর্তমানে জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন- নুরজাহান আক্তার রানীর স্বামী সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), ছোট মেয়ে আইমান (৯), সাখাওয়াতের দুই ভাই শিপন (৩০) ও সামির হোসেন সুমন (৪০), সামিরের বড় ছেলে আনাস (৭), ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) ও তার স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫)।
সোমবার ভোর ৫টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পরপরই আগুন ধরে যায়। প্রতিবেশীরা জানান, শরীরে আগুন নিয়ে ওই পরিবারের সদস্যরা একে একে সবাই ঘর থেকে বের হয়ে আসেন। বিস্ফোরণের সময় তারা সেহরি করছিলেন।
পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা হয় ঢাকার জাতীয় অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।
এএমএ/এএসএম