পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি আছে। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা না খেলা নিয়ে মিশ্র অনুভুতি আছে। একপক্ষ এখনো মনে করেন না খেলাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আর অন্যপক্ষের জোর দাবি, খেলা উচিৎ ছিল।
বিশ্বকাপ ২০২৬ হাতছাড়া হয়ে গেল। এই বিশ্বআসরে অংশ নেয়া আর হবে না। বাংলাদেশ মাঠে নেমে কি করতো? তা নিয়ে একটা ছোটখাট বিতর্ক হতেই পারে। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা খেলা হতো। দেশের মানুষ লাল-সবুজ জার্সির প্রিয় জাতীয় দলকে বিশ্বকাপের মাঠে দেখতে পেত।
মোট কথা এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশের কাছে এক দুঃস্বপ্নই হয়ে থাকবে। এ নিয়ে কথা হবে। আলোচনা-পর্যালোচনাও চলবে কিছুদিন। হয়ত বহুদিন। এদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ না হতেই চলে আসছে বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।
আগামী ১১ মার্চ থেকে শেরে বাংলায় শুরু হবে ৫০ ওভারের ফরম্যাটের ওই সিরিজ। একই ভেন্যুতে পরের ম্যাচ দুটি হবে ১৩ ও ১৫ মার্চ। তার আগে ক্রিকেটারদের এখন ব্যস্ত সময় কাটছে। রাজশাহী ও বগুড়ায় বিসিএলের ওয়ানডে টুর্নামেন্ট খেলছেন এখন লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদি হাসান মিরাজ, তানজিদ তামিম, পারভেজ ইমনরা। আগামী ৩ মার্চ ঢাকায় হবে বিসিএল ওয়ানডে আসরের ফাইনাল। তার ঠিক ৫ দিন পর চলে আসবে পাকিস্তান। খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশের দল ঘোষণা কবে? আর প্র্যাকটিসই বা কবে শুরু হবে?
সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর নিয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগামী ৬ মার্চ থেকে ঢাকার শেরে বাংলা স্টেডিয়ামেই আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করবে টিম বাংলাদেশ। তার আগেই দল ঘোষণা হবে। তবে কবে, কখন? তা নিয়ে খানিক সংশয় আছে।
ক্রিকেট অপস ও সিলেক্টরদের সাথে কথা বলে একটা ধারণা মিলেছে। তাহলো ক্রিকেট অপস থেকে নির্বাচকদের কাছে বিসিএল ফাইনালের (৩ মার্চ) আগে (১ মার্চ) দল দিয়ে দেবার কথা জানানো হয়েছে। তবে এমনও হতে পারে যে দল ঘোষনটা ৩ মার্চ বিসিএল ফাইনালের দিন কিংবা তার পরদিনও হতে পারে।
ঘরের মাঠে পাকিস্তানের সাথে ওয়ানডে সিরিজ। খুব স্বাভাবিকভাবেই জয়ের তাড়া বেশি। কাজেই ধরে নেয়া যায় দল সাজাতে গিয়ে অনেক বেশি সতর্ক-সাবধানি নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্ট। সে ক্ষেত্রে দল গঠনে কোনোরকম পরীক্ষা-নীরিক্ষায় যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
গত এক বছর যারা ওয়ানডে দলে ছিলেন, ঘুরে-ফিরে তাদের সম্ভাবনাটাই বেশি। সাথে দু’একজন তরুণ উদীয়মান ক্রিকেটার থাকার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেয়া যায় না।
এআরবি/আইএইচএস