ইরানের নতুন নেতৃত্ব মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চায় বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে তিনি রাজি বলেও জানান।
ট্রাম্প বলেন, তারা (ইরান) কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলতে সম্মত হয়েছি। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলবো।
ইরানের নেতাদের এটি আগেই করা উচিত ছিল মন্তব্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কথা বলা বাস্তবসম্মত ও সহজ ছিল, তা তাদের আরও আগে করা উচিত ছিল। তারা অনেক দেরি করেছেন।
তবে ইরানের নেতাদের সঙ্গে কখন এই আলোচনা হবে সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি ট্রাম্প। দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
এদিকে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানি সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
রোববার (১ মার্চ) আইআরজিসি দাবি করেছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনে চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হেনেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে গার্ড বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, স্থল ও সমুদ্র ক্রমেই সন্ত্রাসী আগ্রাসকদের কবরস্থানে পরিণত হবে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন হলো, মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নিমিৎজ শ্রেণির বিমানবাহী রণতরী। এতে রয়েছে সর্বশেষ এফ-৩৫ স্টিলথ যুদ্ধজাহাজ, যা শত্রুর রাডার এড়িয়ে যেতে সক্ষম।
অন্যদিকে, ইরানের আকাশসীমায় প্রায় ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ বা ‘এয়ার সুপ্রিমেসি’ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী (আইডিএফ) এবং মার্কিন বিমান বাহিনী (ইউএসএএফ)।
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে ইরানের ওপর প্রায় ১২০০টি বোমা ফেলা হয়েছে। এমন বোমা বর্ষণের পর ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করলেও ইরানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে ইরান। বাহরাইন, কুয়েত, ইরাক, কাতারসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান।
কেএসআর/