আইন-আদালত

গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ, ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত ফলাফল বাতিল এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার ও বাস্তবায়ন অধ্যাদেশ–২০২৫)’ ঘোষণাপত্র বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মে. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে জুলাই সনদ ঘোষণপত্র বাতিল চাওয়া হয়েছে। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

রিটে উল্লেখ করা হয়, গণভোট প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘন হয়েছে। এসব কারণে গণভোটের ফলাফল যথাযথ ও বৈধ নয় বলে দাবি করা হয়। রিটকারীর দাবি, হাইকোর্ট যেন গণভোটের ফলাফল বাতিল করে দেন এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেন।

আইনজীবী তৌহিদ বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক স্বার্থে এ রিট দায়ের করা হয়েছে।

জনগণের সুষ্ঠু ও ন্যায্য গণভোটের অধিকার সুরক্ষিত রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গণভোট প্রক্রিয়া যদি অনিয়মমুক্ত না হয়, তবে তার ফলাফলও বৈধ বলে গণ্য হতে পারে না।

রিটে নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রক্রিয়াগত ত্রুটি ও অনিয়মগুলো বিবেচনায় নিয়ে গণভোটের ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান করা হয়েছে।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

এফএইচ/এমএএইচ/