চাঁদপুরে মার্চ-এপ্রিল মাসজুড়ে জাটকা নিধন ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও মেঘনা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে জাটকা। বিশেষ করে চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের আখনের হাটে প্রকাশ্যে জাটকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার ১৩ নম্বর হানারচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘনা পাড়ের আখনের হাটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাঁকডাক দিয়ে জাটকা বিক্রি করছেন একাধিক ব্যবসায়ী। ক্রেতারাও আগ্রহ নিয়ে এসব মাছ কিনতে ভিড় করছেন। অথচ সরকারি নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী এ সময় জাটকা ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু জেলে গভীর রাতে মেঘনা নদীতে জাল ফেলে জাটকা আহরণ করছেন। পরে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত সেগুলো স্থানীয় হাটে এনে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে সরকারের জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ইলিশ উৎপাদন হুমকির মুখে পড়তে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোবারক হোসেন বলেন, প্রতিদিনই কিছু অসাধু জেলে নদীতে মাছ শিকার করে। তাদের ধরা জাটকা আখনের হাটে এনে আলমগীর, কালু বেপারী, শহীদ শেখ, শাহ আলম খানসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করেন। নৌ পুলিশ, কোস্ট গার্ডসহ প্রশাসনের লোকজন এসব দেখে না। আমরা দ্রুত এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি। স্থানীয়রা মেঘনা নদীসহ আশপাশের হাটবাজারে নিয়মিত অভিযান জোরদার করার আহ্বান জানান।
হরিণা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বোরহান বলেন, হরিণাঘাটে ইলিশ বিক্রি করতে দেখি না। তবে আখনের হাট ফাঁড়ি থেকে একটু দূরে, সেখানে জাটকা বিক্রি হতে পারে। মৎস্য অফিসকে জানানো হয়েছে, তারা এলে অভিযান চালানো হবে।
শরীফুল ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম