বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা লিওনের মেসি ফিনালিসিমা ম্যাচ বাতিল হওয়ায় হতাশ হয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় তার কোনো ভূমিকা ছিল না বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
ইএসপিএনকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি এই ম্যাচটিকে খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছিলেন। বিশ্বকাপের আগে এটি একটি বড় প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ হিসেবে নিতে চেয়েছিলেন তিনি; কিন্তু বিভিন্ন সংস্থার আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বাতিল হয়ে যায়।
ফিনালিসিমা ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেন-এর মধ্যে। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবং উয়েফা ইউরো-এর চ্যাম্পিয়ন স্পেন এই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল।
প্রথমে ম্যাচটি ২৭ মার্চ কাতারে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল; কিন্তু অঞ্চলটির চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংঘাতের কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি আয়োজন সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করে এক বিবৃতিতে উয়েফা জানায়, পরিস্থিতির কারণে কাতারে ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব নয়।
উয়েফা জানায়, তারা বিকল্প ভেন্যু ও সময়সূচি খুঁজে দেখেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেসব প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য হয়নি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবর জানায়, অন্য ভেন্যু এবং তারিখ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ৩১ মার্চ ম্যাচটি আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিলদ কিন্তু উয়েফা জানিয়েছিল, মূল তারিখের মাত্র চারদিন পর ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব নয়। ফলে শেষ পর্যন্ত ফিনালিসিমা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই পুরো আলোচনার প্রক্রিয়ায় মেসি কোনোভাবেই যুক্ত ছিলেন না বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, মেসি এই ম্যাচটিকে নিজের ক্যারিয়ারের আরেকটি বড় অর্জনের সুযোগ হিসেবে দেখছিলেন। ম্যাচটি জিততে পারলে এটি তার ক্যারিয়ারের ৪৯তম দলীয় শিরোপা হতে পারত।
বর্তমানে ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জেতা খেলোয়াড়দের একজন মেসি। সর্বশেষ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মিয়ামি’র হয়ে গত ডিসেম্বরে এমএলএস কাপ জিতে নিজের ট্রফির সংখ্যা ৪৬টিতে উন্নীত করেন। ফানালিসিমা জিতলে সংখ্যাটা হয়ে যেতো ৪৭।
আইএইচএস/