ক্যাম্পাস

সিমাগো র‌্যাঙ্কিং: সূচকে এগোলেও গবেষণায় ফের পিছিয়ে শেকৃবি

সম্প্রতি স্পেনভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা মূল্যায়ন প্রতিষ্ঠান সিমাগো ইনস্টিটিউশনের ২০২৬ সালের র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়েছে। তালিকায় সার্বিক সূচকে দুই ধাপ এগিয়ে ৩৪তম অবস্থান অর্জন করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।

তবে সার্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে অগ্রগতি হলেও গবেষণা সূচকে চার ধাপ পিছিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির সার্বিক অবস্থান ছিল ৩৬তম। সেখান থেকে ২০২৬ সালে দুই ধাপ উন্নতি করে ৩৪তম স্থানে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে ওয়েবসাইটের গত ৫ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণা র‌্যাঙ্কিংয়ে ধারাবাহিক নিম্নগতি লক্ষ্য করা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে গবেষণা সূচকে দেশের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ছিল ৮ম, ২০২৩ সালে তা নেমে আসে ৯ম স্থানে। ২০২৪ সালে ১৩তম, ২০২৫ সালে ১৫তম এবং সর্বশেষ ২০২৬ সালে আরও চার ধাপ পিছিয়ে ১৯তম অবস্থানে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন বলেন, আগের কোনো প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে র‌্যাঙ্কিংয়ে নেওয়ার জন্য কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরই এটার জন্য আবেদন করেছি। মূলত রিসার্চ, কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ, ন্যাশনাল ও ইন্টারন্যাশনাল কোলাবোরেশনের মাধ্যমেই র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়। আমরা এই সব বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। যেসব শিক্ষকরা রিসার্চে অ্যাকটিভ থাকেন, তাদের ডাটাবেস তৈরি করার চেষ্টা করছি। এছাড়াও যারা সাউরেসের রিসার্চ প্রজেক্টগুলোতে ভালো করবেন, তাদের বার্ষিক রিওয়ার্ড দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে আসছে। র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রকাশের ক্ষেত্রে গবেষণা, সামাজিক প্রভাব এবং উদ্ভাবন- এ তিনটি সূচকের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা, সামাজিক প্রভাব এবং উদ্ভাবন- এ তিনটি সূচকের আলাদা আলাদা র‌্যাঙ্কিং সহ সার্বিক র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে থাকে। সার্বিক র‌্যাঙ্কিং প্রকাশের ক্ষেত্রে গবেষণায় ৫০ শতাংশ, উদ্ভাবনে ৩০ শতাংশ এবং সামাজিক প্রভাবে ২০ শতাংশ ওয়েট দিয়ে থাকে।

এমডি‌এস‌এ/এমআরএম