কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় বাস ও ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের পাঁচজন রয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের।নিহতরা হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামের পিন্টু হোসেনের স্ত্রী লাইজু খাতুন (২৭) ও তাদের দুই শিশুকন্যা খাদিজা (৫) ও মরিয়ম (৩), একই উপজেলার ভালাইপুর গ্রামের সোনালি বেগম (৫০) এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশঙ্করপুর ইউনিয়নের অনামী গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে জোহাদ হোসেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যশোরের চৌগাছা থেকে ঝিনাইদহের মহেশপুর ঘুরে মামুন পরিবহনের একটি বাস নোয়াখালীর উদ্দেশে করে। ওই বাসের যাত্রীরা নোয়াখালী ও চট্টগ্রামে তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ট্রেনের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হন।
আরও পড়ুন: বাস-ট্রেন সংঘর্ষে নিহত মা-দুই সন্তানসহ ১২ জনের পরিচয় শনাক্তনিহতদের স্বজনরা জানান, বাসটির চালক ছিলেন পিন্টু হোসেন। তিনি বদলি চালক হিসেবে ঢাকায় নেমে যান। এরপর আরেক চালক বাসটি চালিয়ে আসছিলেন। চালক পিন্টু হোসেনের স্ত্রী ও দুই শিশুকন্যা ওই বাসেই নোয়াখালী যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনায় তারা নিহত হন।পাতিবিলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাই পিন্টু বাস চালাতো। তার পরিবারকে নিয়ে নোয়াখালী যাচ্ছিল। ঢাকায় সে নেমে যায়। এসময় গাড়িতে ছিল তার স্ত্রী-সন্তানরা। দুর্ঘটনায় তারা সবাই মারা গেছে।’মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার জানান, মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
এম শাহাজান/এসআর/এএসএম