হজ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগে এজেন্সির গ্রুপ লিডার মো. বাবুল মিয়ার সৌদি আরব গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
২০২৪ সালের হজ মৌসুমে তামাকজাত দ্রব্যসহ লাগেজ জব্দ ও তা নিয়ে হজক্যাম্প ত্যাগের চেষ্টার ঘটনায় তাকে নিয়ে এই পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১১ জুন ভোরে ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে খিদমাহ ওভারসিজ ট্রাভেলসের ১৯৫ জন হজযাত্রীর চেক-ইনের সময় তামাক পাতা, জর্দা ও গুল ভর্তি লাগেজ শনাক্ত হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট এজেন্সির গ্রুপ লিডার বাবুল মিয়া শনাক্ত করা লাগেজসহ আরও প্রায় ৩০টি লাগেজ নিয়ে হজক্যাম্প ত্যাগের চেষ্টা করেন। এসময় হজক্যাম্পের প্রধান ফটকে দায়িত্বরত স্কাউট সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাগেজগুলো আটক করে। বর্তমানে এসব লাগেজ আশকোনা হজ অফিসে সংরক্ষিত রয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী তামাকজাত দ্রব্য মাদকদ্রব্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।
এ অবস্থায় ২০২৬ সালের হজে নামিরা ট্রাভেলসের মাধ্যমে একই ব্যক্তি পুনরায় গ্রুপ লিডার হিসেবে নিবন্ধন করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। হজ ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু রাখা এবং দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাকে সৌদি আরব গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে বাবুল মিয়ার পাসপোর্ট নম্বর, পিআইডি, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরএমএম/এমআইএইচএস