নীলফামারীতে মায়ের সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে থাকলেও তার বাবা-মা ও ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলা টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবুকের নাম মতিউল ইসলাম (৪৫)। তিনি একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মতিউল ইসলাম পাশের বাড়ির একরামুল ইসলামের স্ত্রী সাহেরা বানুর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। সম্প্রতি তারা একে অপরের সঙ্গে ঘর বাধার জন্য বাড়িও ছাড়েন। পরে উভয়ের পরিবার তাদের বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনে। তবে এ ঘটনার জেরে উভয় পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মতিউল ইসলাম সুযোগ বুঝে ফের সাহেরা বানুর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করেন। এসময় সাহেরা বানুর ছেলে আল আমিন হাতেনাতে ধরে ফেলেন। তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে আল আমিন বাড়িতে রাখা ধারালো দা দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে পালিয়ে যান তিনি।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় আল আমিনের বাবা একরামুল হক, মা সাহের বানু ও ছোট ভাই আপন ইসলামকে আটক করা হয়েছে।
নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে পরকীয়ার বিরোধে এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আমিরুল হক/এমএন/এএসএম