আইন-আদালত

সরকারি জমি আত্মসাৎ: সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন ২০ মে

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানির জন্য আগামী ২০ মে দিন ঠিক করেছেন আদালত।

রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে মামলার চার্জগঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। এ জন্য কারাগারে থাকা সালাম মুর্শেদীসহ অন্যান্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা আসামিরাও আদালতে হাজিরা দেন।

সালাম মুর্শেদীর পক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন এবং জামিনের আবেদনও করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং অন্যান্য আসামিদের চার্জগঠন বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ২০ মে দিন নির্ধারণ করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলায় ১৩ জন আসামির মধ্যে আজিজুল হক ও সালাম মুর্শেদীর পক্ষের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। এরপর আদালত পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার অন্য আসামির মধ্যে রয়েছেন—রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপ-পরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুলশান আবাসিক এলাকার পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি করেন। তারা গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত এই প্লটের রেকর্ড মিথ্যাভাবে তৈরি ও অনুমোদন দেন। এই অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।

উল্লেখ্য, সালাম মুর্শেদীকে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয় এবং এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

এমডিএএ/এমএমকে