সাহিত্য

দিন যাপনের বৈচিত্র্য এবং অন্যান্য

দিন যাপনের বৈচিত্র্য

তবুও সময় চলে যায়যেন কোথাও কিছু হয়নিফুলের মতো হাসিতে মুখখানি চাঁদের আলোর মতো ছুুঁয়ে যায়একেকটি মুহূর্ত সমুদ্রের সুন্দর ছবির মতো মুগ্ধতার অ্যালবাম দেখিয়ে কাটেকে জানে বুকের ওপাশে দাউ দাউ নগর পোড়েলোকে শুধু মুখ, চোখ, হাসি দেখেলোকেরা গভীর ইতিহাস পড়ে নাশুধু সহজ সহজ পাতার কবিতা পড়ে।

তবুও নীরব দিন যায়যেন কোথাও বেদনার চিহ্ন নেইকারুকার্যের মাধুর্যের চাঁদরে শরীর ঢেকে যায়দিন যাপনের বৈচিত্র্য লোকের নজরে আনন্দ কাড়েকে জানে হৃদয়ের ওপাশে ঝরঝর বর্ষা নামেলোকে শুধু বর্ষাকালে কদম ফুলের সৌন্দর্য দেখেবৃষ্টির জলে ভেজা শুকনো পাতার চিৎকার শোনে না।

****

সেই রমণী

আজও আমি সেই মানুষটাকে মনে রাখিযার চোখেমুখে আমাকে নিয়েই যত ক্লেশআমার সুন্দর চোখে তার যত ভয়আমার সুখের হাসিতে তার অমাবস্যা নামেআমার চুলের ঝড়ে তার বুকে আগুন ঝড়েআমার সরলতায় তার বুকে পাথর জমেসেই রমণী ছায়ারা নামলে আশপাশের সব নীরব হয়ে যায়।

আজও সেই রমণীর মুখ মনে রাখিযে সুন্দরতম দিনে অসুন্দর কিছু করতে মরিয়া হয়ে ওঠেকেউ আমাকে স্নেহে বুকে নিলে সে মুহূর্তেই দিশাহারা হয়ে ওঠেবিশেষ দিনে আনন্দ মাটি করতে পারলে তার চোখেমুখে আনন্দ জ্বলজ্বল করেঅন্যের সুখে যার নগর জ্বলেসেই রমণীর ছায়ারা নামলে আশপাশে সব নিরস হয়ে ওঠে।

****

একটি কবিতার বই দাও

কথা দিচ্ছি একটি কবিতার বই এলে;আর এভাবে অলস দুপুরে একাকী থাকবো নাপড়ার টেবিলে কবিতার খেলা বসবেকবিতার নানান স্কেচ চোখজুড়ে থাকবেযা দেখি; তাতেই কবিতা রটাবোতোমার পৃথিবীতে কবিতার মানচিত্র নামাবোযেই মানচিত্রের অনেকটা জুড়ে কবিতা থাকবে।

আমাকে একটি কবিতার বই দাওতোমার পৃথিবীজুড়ে কবিতার আলোড়ন তুলবো।

এসইউ