তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং সরকার সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর ইআরএফ কার্যালয়ে ‘নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও ইআরএফের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার ও গণমাধ্যমের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে আমরা পুনর্মূল্যায়ন করতে চাচ্ছি, সবার জন্য নিরাপত্তা বিধান প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছি, মিডিয়া রিফরমস কমিশনকে ব্রিটিশ অফকম সিস্টেমের আদলে পুনর্গঠনের চিন্তা চলছে, হত্যা, মিথ্যা মামলা, গুমসহ সব ধরনের নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য ন্যায্য প্রতিকারের ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে আনতে চাচ্ছি, অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের অন্য ভাতা সিস্টেম চালু করতে চাচ্ছি।
তিনি বলেন, বড় বড় অপরাধ করার জন্য বয়ান তৈরি করা হচ্ছে। বয়ানের কারণে সেই অপরাধ জাস্টিফাই হচ্ছে। পৃথিবীর বড় বড় রাষ্ট্রনায়করা গণমাধ্যম ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যম কাজে লাগিয়ে অন্যরকম পরিবেশ তৈরি করেছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, যে সময় তথ্য মন্ত্রণালয় জন্ম নিয়েছিল তখনকার তথ্যের সংজ্ঞা আর এখনকার তথ্যের সংজ্ঞা আকাশ-পাতাল পার্থক্য। তখন তথ্য বলতে ছাপার অক্ষরে লেখা হলে ওইটায় পবিত্র কোরআন শরীফের কাছাকাছি। এখন পুরো ব্যাপারটা অন্য। নতুন নতুন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) ক্ষমতা খারাপ ভালো দুই ধরনের লোকই ব্যবহার করতে পারেন।
ফ্রিডম ও রেস্পন্সিবিলিটির কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে কোনো স্বাধীনতা ও নৈরাজ্যের মধ্যে ব্যবধান থাকতে হবে। সঠিক স্বাধীনতা দ্বারা যে আক্রান্ত হবেন তিনি বলবেন এটা নৈরাজ্য, যেটা আসলেই নৈরাজ্য যে বলবে এটা স্বাধীনতা। এর সমাধান কী সেই প্রশ্ন রাখেন তথ্যমন্ত্রী।
টিটি/এমএএইচ/