রাজনীতি

মিরপুর কলেজে সংঘর্ষে আহতদের দেখতে গেলেন ব্যারিস্টার আরমান

রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুইজন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি ও কলেজ অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে মিরপুরের ইসলামী ব্যাংক কার্ডিয়াক হাসপাতালে আহতদের দেখতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করছি সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এখানে চলে আসলো। জনগণের বিপদে-আপদে তাদের পাওয়া যায় না। কিন্তু লুটপাটের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই দুর্নীতির সঙ্গে তারাও জড়িত কি না।’

এই সংসদ সদস্য বলেন, নিয়োগ বাণিজ্য ও মেরামতের নামে অর্থ লুটপাটের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার সমর্থিত দুই কর্মী হামলার শিকার হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘শিক্ষক নিয়োগের নামে সীমাহীন দুর্নীতি চলছে এবং মেরামতের নামে ব্যাপক লুটপাট হচ্ছে।’

ব্যারিস্টার আরমান আরও বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের কিছু ‘দুর্নীতিবাজ ও বিপথগামী’ ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। হামলাকারীরা বহিরাগত এবং অছাত্র বলেও দাবি করেন তিনি।

সংসদ সদস্যের ভাষ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে একজন গুরুতর অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে, কলেজে একটি নিরপেক্ষ অডিট করতে হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা খুবই অবাক হচ্ছি। তারা (বিএনপি) জুলাই সনদের সঙ্গে গাদ্দারি করছেন। তারা যদি নিজেদের ভালো চান অবিলম্বে আচরণ পরিবর্তন করতে হবে।’

তবে এ ঘটনায় ভিন্ন অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদল। সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানের নির্দেশনায় একদল বহিরাগত কলেজে প্রবেশ করে তাদের পছন্দের প্রার্থী নিয়োগে অধ্যক্ষের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধ্যক্ষ এতে রাজি না হলে তাকে হুমকি ও হেনস্তা করা হয়। এ সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানায়।

এসএম/বিএ