প্রবাস

জবাবদিহির ভীতি তৈরি করুন, এমনিতেই দুর্নীতি দূর হবে

আমলাতন্ত্র তার নখর গভীরভাবে বসিয়েছে বাংলাদেশের সরকারি খাতে। কর্মকর্তারা নিজ উদ্যোগ নিতে ভয় পান, প্রশাসনিক কাজে অপচয় হয় বিপুল সম্পদ, আর জনকল্যাণের চেয়ে নিরীক্ষা ও জবাবদিহিতার ভীতি অনেক সময় বড় হয়ে ওঠে। এর ফল কী? নাগরিকরা পায় নিম্নমানের সেবা, চিকিৎসা ব্যবস্থা হয়ে পড়ে ধীরগতির, আর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে যখন পুলিশ সময়মতো অপরাধ দমন ও বিচার নিশ্চিত করতে পারে না। তাই এখনই সময় এই কাঠামোকে নাড়িয়ে দেওয়ার।

বাংলাদেশের সরকারি ব্যবস্থায় বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে গিয়ে কর্মকর্তারা দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়েন। সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রায়ই সতর্কবাণী শোনা যায়, নিজস্ব উদ্যোগ ক্যারিয়ারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং সরকারি খাতের বৃহৎ অংশের বাস্তব চিত্র।

সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত হয়, সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, শিক্ষা ব্যবস্থা দক্ষ ও সচেতন নাগরিক গড়ে তুলবে, আর পুলিশ অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্তে ভূমিকা রাখবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, এই লক্ষ্যগুলো সবসময় কার্যকর ভূমিকা পালন করে না। বরং আনুষ্ঠানিক নিয়ম মেনে চলা এবং ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকি এড়িয়ে চলাই অনেক সময় প্রধান উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে সৃষ্টি হয় নেতিবাচক প্রভাব।

যখন মূল লক্ষ্য গুরুত্ব হারায়, তখন নানা সমস্যা দেখা দেয়। উদাহরণস্বরূপ,• বাজেট বৃদ্ধি সত্ত্বেও জটিল অপরাধের সমাধান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে না।• স্বাস্থ্য খাতে প্রশাসনিক ব্যয় বাড়লেও চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়ে যায়।• শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের বদলে অতিরিক্ত নীতিমালা ও আনুষ্ঠানিকতায় সময় ও অর্থ অপচয় হয়।

ভুল কমানোর লক্ষ্যে অসংখ্য আইন, নীতিমালা, প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু এসবের আধিক্য অনেক ক্ষেত্রে কার্যকারিতার বদলে জটিলতা বাড়িয়েছে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে যান্ত্রিক করে তুলেছে।

এর ফলে এমন এক প্রশাসনিক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে যেখানে অনেক কর্মকর্তা নিয়ম মেনে চলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেন, ঝুঁকি নিতে চান না, স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে অনাগ্রহী এবং কৌশলপত্র ও নীতিমালা তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন। মূল দায়িত্ব অনেক সময় গৌণ হয়ে পড়ে। কর্মদক্ষতার দাবি তুললেই সেটিকে বিরূপ হিসেবে দেখা হয়। কোনো পরিকল্পনা, দৃষ্টিভঙ্গি বা নীতিমালার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে তা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

নিয়ম ও প্রচলিত রীতিনীতি থেকে সামান্য বিচ্যুতি ঘটলেও শাস্তি বা সমালোচনার মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এতে প্রশ্ন জাগে, এসব কি সত্যিই জনগণের কল্যাণে অবদান রাখছে?

ভুলের দায় এড়ানোর প্রবণতা

প্রশাসনিক কাঠামোর একটি বড় সমস্যা হলো, ভুল হলে দায়মুক্ত থাকার প্রবণতা। ক্যারিয়ার ব্যবস্থায় অনেক সময় স্বাধীনচিন্তার মানুষ উচ্চপদে পৌঁছাতে পারেন না। যারা পৌঁছান, তারাও ঝুঁকি এড়ানো ও মানক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন। আইনজীবী, মানবসম্পদ বিশেষজ্ঞ, যোগাযোগ কর্মকর্তা, অর্থনীতিবিদ ও প্রশিক্ষকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই সংস্কৃতি একটি ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছে, লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে ভুল কমানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই পরিস্থিতির একটি কারণ হলো নিয়ম মেনে চলার প্রতি অতিরিক্ত আস্থা এবং ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার রক্ষার বাস্তব চিন্তা। ফলে অনেক সময় কার্যকারিতার চেয়ে আনুষ্ঠানিকতা বেশি গুরুত্ব পায়। একটি অলিখিত নীতি যেন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ‌‘ভালো হওয়ার চেয়ে নিরীক্ষাযোগ্য হওয়াই নিরাপদ।’

করণীয়: কার্যকর রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ছয় দফা

বাংলাদেশের সরকারি ব্যবস্থায় কার্যকারিতা বাড়াতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

প্রথমত: মূল দায়িত্বে মনোযোগ বৃদ্ধিরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা নিয়মিত মূল্যায়ন করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা খাতের কর্মদক্ষতা গুণগত ও পরিমাণগত সূচকের মাধ্যমে পরিমাপ করা উচিত।

দ্বিতীয়ত: অপ্রয়োজনীয় কাঠামো অপসারণঅতিরিক্ত নীতিমালা, পদ এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কমিয়ে কার্যকর ও সরল কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

তৃতীয়ত: দুর্বল কর্মদক্ষতার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাঅদক্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিশেষ তদারকি আরোপ এবং প্রয়োজনে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে হবে।

চতুর্থত: দক্ষ ও উদ্যোগী মানবসম্পদ গড়ে তোলাসৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে হবে। অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার পরিবর্তে স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়াতে হবে।

পঞ্চমত: ভুল থেকে শেখার সংস্কৃতি গড়ে তোলাবিকেন্দ্রীকরণ ও নমনীয়তা বাড়ালে কিছু ভুল হতে পারে। তবে সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

শেষত: তদারকি সংস্থার ভূমিকা পুনর্নির্ধারণনিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি জনকল্যাণ নিশ্চিত করাকে তদারকি সংস্থার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করতে হবে।

বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধিকতর স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা ও নমনীয়তা নিশ্চিত করতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় একরূপতা কমাতে হবে। লক্ষ্য ও ফলাফলভিত্তিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করাই হতে পারে উন্নত রাষ্ট্র গঠনের মূল চাবিকাঠি। দক্ষ ও সৎ নেতৃত্বকে পুরস্কৃত করতে হবে, আর যারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তাদের উপযুক্ত বিকল্প দায়িত্ব প্রদান করতে হবে।

উপরোক্ত বিশ্লেষণ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশের সরকারি খাতে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি সুস্পষ্ট ও কার্যকর সংস্কার কাঠামো অপরিহার্য।

একটি কার্যকর রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। কিন্তু বাংলাদেশের সরকারি খাত দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অকার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়নের অভাবে ভুগছে। এর ফলে জনসেবার মান কমে যাচ্ছে, উন্নয়ন কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে এবং নাগরিক আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে নিম্নে একটি যুগোপযোগী সংস্কার রোডম্যাপ উপস্থাপন করা হলো।

বর্তমান চ্যালেঞ্জসমূহ

১. অতিরিক্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতাদীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ধীর করে এবং সেবার মান হ্রাস করে।

২. ফলাফলের পরিবর্তে আনুষ্ঠানিকতার ওপর নির্ভরতাজনকল্যাণের পরিবর্তে কাগুজে প্রক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব পায়।

৩. জবাবদিহিতার ঘাটতিপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা পরিমাপের সুসংগঠিত ব্যবস্থা দুর্বল।

৪. প্রশাসনিক ব্যয়ের বৃদ্ধিপ্রশাসনিক খরচ বাড়লেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা খাতে প্রত্যাশিত উন্নতি হয় না।

৫. উদ্ভাবন ও উদ্যোগের অভাবঝুঁকি এড়ানোর সংস্কৃতি কর্মকর্তাদের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিরুৎসাহিত করে।

৬. অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণস্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতা ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা সেবার কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

সংস্কারের লক্ষ্য• দক্ষ ও আধুনিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা• জনসেবার মান উন্নয়ন• স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ• দুর্নীতি ও অপচয় হ্রাস• উদ্ভাবন ও পেশাদারিত্বের বিকাশ• গণতান্ত্রিক ও বিকেন্দ্রীকৃত শাসনব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ

সংস্কারের মূল কৌশল

১. মূল দায়িত্বে পুনরায় মনোনিবেশসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে তাদের মৌলিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে পরিমাপযোগ্য সূচক প্রবর্তন জরুরি।

২. অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাঠামো অপসারণঅতিরিক্ত নীতিমালা, কমিটি এবং জটিল প্রক্রিয়া হ্রাস করে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

৩. জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে মূল্যায়নশিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুলিশ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৪. দুর্বল কর্মসম্পাদনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাঅদক্ষ প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বিশেষ তদারকি এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে।

৫. উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদানসরকারি কর্মকর্তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ বৃদ্ধি এবং সৃজনশীল উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

৬. বিকেন্দ্রীকরণ জোরদার করাস্থানীয় সরকারকে অধিক ক্ষমতা ও সম্পদ প্রদান করে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে হবে।

৭. দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নযোগ্যতা, মেধা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে নিয়োগ ও পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।

৮. ভুল থেকে শেখার সংস্কৃতি গড়ে তোলাপ্রশাসনে নমনীয়তা বাড়াতে গঠনমূলক সমালোচনা ও শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতাকে মূল্য দিতে হবে।

৯. তদারকি সংস্থার ভূমিকা পুনর্নির্ধারণনিয়ম মানার পাশাপাশি জনকল্যাণ ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করাকে তদারকি সংস্থার মূল লক্ষ্য করতে হবে।

১০. ডিজিটাল সুশাসন প্রতিষ্ঠাই-গভর্নেন্স, ডেটাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালু করতে হবে।

বাস্তবায়ন পরিকল্পনা

স্বল্পমেয়াদি (১–২ বছর)• প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পর্যালোচনা ও সরলীকরণ• কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন সূচক প্রবর্তন• ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ• অপ্রয়োজনীয় বিধি ও কাঠামো শনাক্তকরণ

মধ্যমেয়াদি (৩–৫ বছর)• বিকেন্দ্রীকরণ বাস্তবায়ন• মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ• জবাবদিহিতা ও তদারকি ব্যবস্থার সংস্কার• ফলাফলভিত্তিক বাজেট প্রণয়ন

দীর্ঘমেয়াদি (৫–১০ বছর)• সম্পূর্ণ আধুনিক ও দক্ষ প্রশাসন প্রতিষ্ঠা• নীতি ও কাঠামোগত স্থায়ী সংস্কার• আন্তর্জাতিক মানসম্মত সুশাসন নিশ্চিতকরণ• নাগরিক আস্থা পুনর্গঠন

সাংবিধানিক ভিত্তি

বাংলাদেশের সংবিধান এই সংস্কারের জন্য দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য—• অনুচ্ছেদ ৭: জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস• অনুচ্ছেদ ১১: গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা• অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজন নিশ্চিতকরণ• অনুচ্ছেদ ১৭: শিক্ষা উন্নয়ন• অনুচ্ছেদ ২১: জনগণের সেবক হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব• অনুচ্ছেদ ৫৯ ও ৬০: স্থানীয় সরকার ও বিকেন্দ্রীকরণ• অনুচ্ছেদ ৭৭: ন্যায়পাল প্রতিষ্ঠার বিধান

প্রত্যাশিত ফলাফল• দক্ষ ও স্বচ্ছ প্রশাসন• দ্রুত ও মানসম্মত জনসেবা• দুর্নীতি ও অপচয় হ্রাস• শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান• উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা• নাগরিক আস্থা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি• টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন

বাংলাদেশের সরকারি খাতে কার্যকর সংস্কার আজ সময়ের দাবি। অধিকতর স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা, নমনীয়তা এবং ফলাফলভিত্তিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া একটি আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। লক্ষ্য ও ফলাফলকে কেন্দ্র করে পরিচালিত প্রশাসনিক কাঠামোই পারে বাংলাদেশকে একটি দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনমুখী রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে।

রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, ফাইজার, সুইডেনrahman.mridha@gmail.com

এমআরএম