সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে (রোববার) রাজধানীর প্রধান সড়ক সংলগ্ন তেলের পাম্পের সামনে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ দেখা গেছে। বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় রাজধানীর কিছু সড়কে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। এতে সকাল থেকেই দীর্ঘ যানজট ও যানবাহনের ধীরগতিতে বিপাকে পড়েছেন কর্মমুখী নগরবাসী।
সকাল ১০টার দিকে রেডিসন ব্লু সংলগ্ন বিমানবন্দর সড়কে যানবাহন চলেছে ধীর গতিতে। নর্দা, শাহজাদপুর, নতুন বাজারে যানবাহনকে সিগন্যাল জ্যামে বসে থাকতে হয়েছে।
তাপদাহে পরিবহন শ্রমিক ও যাত্রীদের ভোগান্তি দেখা গেছে। এছাড়া এলোমেলোভাবে সড়কে বাস রাখায় এসব সড়কে যানজট দেখা গেছে।
বাড্ডা লিংক রোড ও উত্তর বাড্ডা এলাকায় দুটি পেট্রোল পাম্প। পাম্প সংলগ্ন সড়কের একাংশ মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ি দখল করেছিল। সড়ক কিছুটা সরু হয়ে কোথাও কোথাও হালকা যানজট দেখা গেছে।
উত্তর বাড্ডা এলাকায় কথা হয় চাকরিজীবী মাইনুল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, প্রায় ১ মাস ধরে এই সড়কে যানজট বেড়েছে। একে তো তেলের লাইনে সড়ক দখল আবার ওয়াসার লাইনের জন্য কাটাকাটি। তেজকুনিপাড়া থেকে এখানে আসতে ২-৩ ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে।
বাড্ডা হয়ে রামপুরা, মালিবাগ, কাকরাইল পর্যন্ত তেমন যানজট দেখা যায়নি। এসব সড়কে যানবাহনের ব্যস্ততা দেখা গেছে।
দুপুরে মতিঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউমার্কেট এলাকাতেও তীব্র যানজট দেখা গেছে। একই অবস্থা ছিল মালিবাগ ও মগবাজার এলাকায়। বাংলামোটর ও শাহবাগ এলাকায় দীর্ঘক্ষণ যানবাহনে যাত্রীদের বসে থাকতে হয়েছে। সেগুনবাগিচা, পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকার চিত্র ও ছিল একই রকমের।
এসএম/এমআইএইচএস