দু-একটি বাদে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। এমনকি গণভোটও বৈধতা পাবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এসময় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
গণভোট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুসারে সাংবিধানিকভাবে যে গণভোট এই গণভোট (১২ ফেব্রুয়ারির) সেই গণভোট না।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক বক্তব্যটা বলছি—গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের বৈধতার প্রশ্ন—সেটা যখন আমরা সেই সরকারের অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের সব বিষয়াবলির সাংবিধানিকভাবে লেজিটেমেসি (বৈধতা) দেবো, তখন চতুর্থ তফসিলে তাদের এসব কর্মকাণ্ড বৈধতা পেয়ে যাবে।
আরও পড়ুনবাতিল অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই হবে, বিরোধীদল ‘বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণভোট অধ্যাদেশ অনুযায়ী গণভোট হয়েছে এবং সেই গণভোটের বৈধতাও রয়েছে। এজন্য নতুন করে ওই অধ্যাদেশকে আইন করার প্রয়োজন নেই। কারণ, ওই আইনের আলোকে তো গণভোট হবে না। যদি গণভোট করতে হয় তখন সাংবিধানিকভাবে অথবা সংবিধানের বাইরে গণভোট করতে হলে আলাদা একটা আইন পাস করতে হবে।
গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করায় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে বিরোধীদল—এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, (গণভোট নিয়ে বিরোধীদলের) হুমকি দেওয়ার কোনো বিষয় নেই, বৈধতা তো আছেই, অবৈধ তো বলছি না।
‘সুতরাং চতুর্থ তফসিলে যখন দু-একটি বাদে বিগত সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়া হবে, তখন সেটিও লেজিটিমেট (বৈধ) হয়ে যাবে’—যোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আরএমএম/এমকেআর