ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখি সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক মো. ইউছুফ হোসেনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে উঠেছে। লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নুরুল আমিন মঙ্গলবার দুপুরে মধ্য কেরোয়া গ্রামে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। ইউছুফ বিকেলে শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তি দাবি করেন।সংবাদ সম্মলনে জানানো হয়, উপজেলার মধ্য কেরোয়া গ্রামের জাকির হোসেনদের পরিবারকে আদালতের নির্দেশে উচ্ছেদের সময় প্রতিপক্ষ মাসুদ পারভেজ ও তার ভাড়াটিয়া ৪০/৫০ লোক পুলিশের উপস্থিতিতে তাণ্ডব চালায়। এসময় জাকিরের পরিবারের নারীও শিশুসহ পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। আহত আছিয়া খাতুন (১৮), শিশু আজমির হোসেন, আরজু বেগম (১৮), রোকেয়া (৬৫) ও ফাতেমা বেগম (৪২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। উচ্ছেদের সময় মাসুদের লোকজন ঘরে থাকা নগদ দেড় লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ তিন লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ইউছুফ সেখানে গেলে এএসআই নুরুল আমিন তাকে লাঞ্ছিত করেন।এ ব্যাপারে মাসুদ পারভেজ বলেন, ভাড়াটিয়া লোক নিয়ে মালামাল লুট করার অভিযোগ সঠিক নয়। তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।এ ব্যাপারে ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স বহুমুখি সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালক মো. ইউছুফ হোসেন বলেন, আমার চাচাতো ভাই জাকিরদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার সময় আমি বিষয়টি দেখার জন্য ঘটনাস্থলে যায়। এসময় পুলিশের এএসআই নুরুল আমিন অতর্কিতভাবে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। আমি আমার পরিচয় দেয়ার পরও অকথ্য ভাষায় গাল-মন্দ করে।রায়পুর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নুরুল আমিন বলেন, আইন-শৃঙ্গলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আমরা সেখানে অবস্থান নেই। এসময় ইউফুফের সঙ্গে আমাদের ভুল বোঝাবুঝি হয়।কাজল কায়েস/এআরএ/এবিএস