জামালপুরের বকশীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বিজয়ী সদস্য প্রার্থীর বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর চালিয়েছে দুই পরাজিত প্রার্থীর লোকজন। এসময় হামলাকারীরা তিনটি বাড়ি ও একটি দোকান ভাঙচুর করেছে। রোববার দুপুরে উপজেলার নীলক্ষিয়া ইউনিয়নের সাজিমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, দুপুরে নীলক্ষিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সাজিমারা গ্রামের নব-নির্বাচিত ইউপি সদস্য সাত্তার মোল্লার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায় পরাজিত প্রার্থী হামিদুর রহমান ফর্সা ও মোশারফ হোসেনের লোকজন। এসময় তারা একটি দোকান ও তিনটি বাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় বিজয়ী সদস্য ও পরাজিত প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা হলেন, মিস্টার মিয়া (৪৫), হুমায়ুন (৩৫), হাসিনা বেগম (৪৫), রশিদা বেগম (৩০), ফকির আলী (৪০), সাদা মিয়া(২৬), নাসিমা বেগম (২৫), জুলহাস মিয়া (৩৫), জিয়া (৪০), নাজির উদ্দিন (৬৫), সাজাহান মিয়া (৪০) ও মাদু মিয়া(৪৫)। এদের মধ্যে সাতজনকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিজয়ী প্রার্থী সাত্তার মোল্লা জানান, প্রতিপক্ষরা আমার বিজয়কে মেনে নিতে না পেরে সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা করেছে। অপরদিকে, পরাজিত প্রার্থী হামিদুর রহমান ফর্সা জানান, সাত্তার মোল্লার লোকজন উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, নির্বাচনী সহিংসতা রোধে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। শুভ্র মেহেদী/এআরএ/পিআর