বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার এখন গ্রামের মধ্যে সন্ত্রাস নিয়ে এসেছে এবং গ্রামের সমাজকে ভাগ করে দিয়েছে। সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দ্যেশে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতাসীনরা বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমস্ত স্তম্ভকে ভেঙে দিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, কথা বলছি এবং কথা বলে যাবো। আসুন আমরা এ দেশের মানুষ গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ইউপি উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে জয়ী করি।সরকার অবিলম্বে এ ধরনের নির্বাচনের ব্যবস্থা না করলে দাবি আদায়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে হবে উল্লেখ করে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, আজকে উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ সাম্প্রদায়িকতা সবকিছুর মূলে রয়েছে গণতন্ত্রকে সংকচিত করা এবং বিরোধী মতকে সহ্য করতে না পারা। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে দল মত নির্বিশেষে সকলকেই কাজ করতে হবে। আজকে বাংলাদেশের সমস্ত সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলো এ নির্বাচনকে শুধু প্রহসন নয় মারাত্মক নির্বাচন হয়েছে বলে মনে করেন যেখানে প্রায় ১৩০ জন মারা গেছে।তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল যাদের নির্বাচনের জন্য আলাদা কোনো প্রস্তুতি নিতে হয় না। ১৯৯১ সালে বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বলেছিলেন যে, বিএনপি ১০-১১টি আসনে প্রার্থী দিতে পারবে। অথচ দেখা গেল, বিএনপি সরকার গঠন করেছে।পরে তিনি সদর উপজেলার বেগুন বাড়ি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে সংহিসতায় এলাকা পরিদর্শন ও আহতদের দেখতে যান। ৩টা ৪৫ মিনিটে সৈয়দপুর বিমান বন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ঠাকুরগাঁও ত্যাগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রবিউল এহ্সান রিপন/এফএ/এবিএস