যশোরের বেনাপোলে নির্বাচন পরবর্তী দুই পক্ষের সংঘাতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা পরাজিত নৌকা প্রার্থী আবদুল গফফারের সমর্থক। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ওই ইউনিয়নের বালুন্ডা গ্রামে মারধর, বোমাবাজি ছাড়াও বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। নির্বাচনে জয়ী আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরাজিত পক্ষ। বোমায় আহত যে পাঁচজনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তারা হলেন, মহিবুল হক (২৮), নজরুল ইসলাম (৩৫), ইমদাদুল হক (৩৫), মো. কালু মিয়া (৩৫) ও তরিকুল ইসলাম (৩০)। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক জানান, মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে বালুন্ডা গ্রামের সম্রাটের মুদিখানা কাম চায়ের দোকানে গফফারের লোকজন বসেছিলেন। এসময় চেয়ারম্যান হাদিউজ্জানের ‘ক্যাডার’ সিরাজ আওলিয়া, রফিক, আশিকুল, আমিরুল, তরিকুল, লিটন ও জিল্লুর নেতৃত্বে ২০/২৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী সেখানে হামলা চালায়। তারা প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে ৮/১০টি বোমা নিক্ষেপ করে। এসময় আশপাশের বাড়িঘর ভাঙচুর এবং সম্রাটের মুদি দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় তারা। বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। হামলায় জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশ চেষ্টা চলছে। জামাল হোসেন/এফএ/এবিএস