দেশজুড়ে

হাতিয়ায় আ.লীগের দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে দিনভর দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আশ্রাফের (৪০) আবস্থা আশঙ্কাজনক।সংঘর্ষ চলাকালে ২৬টি দোকান ভাঙচুর, লুটপাট ও ৩টি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। বর্তমানে উপজেলা সদরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।                     এলাকাবাসী জানান, রোববার সকালে হাতিয়ার খাসেরহাট বাজারে ইউপি নির্বাচনের জের ধরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মহিউদ্দিন মুহিনের সমর্থকদের দোকান ঘরে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় হামলাকারীরা ২৬টি দোকান ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করে নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়। একই সঙ্গে মহিউদ্দিন মুহিনের মোটরসাইকেলসহ তিনটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। বাজারের পার্শ্ববর্তী ছিদ্দিক মাস্টারের বাড়িতেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা। এদিকে পৌর এলাকার সৈয়দিয়া বাজারে মেয়র সমর্থক মো. আশ্রাফ (৪০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এছাড়া দুপুর আড়াইটার দিকে পৌরসভার সৈয়দিয়া বাজার সংলগ্ন নহেল কাউন্সিলরের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মো. আশ্রাফ হাতিয়া পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের বুদু সর্দারের ছেলে। তিনি পৌর মেয়র একেএম ইউছুপ আলীর সমর্থক। এ ব্যাপারে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. মইন উদ্দিন জানান, বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।মিজানুর রহমান/এআরএ/এবিএস