হবিগঞ্জের বাহুবলে শান্তা চক্রবর্তী (১৪) নামে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় এক নারীকে আটক করা হয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার ভোর পৌনে ৬ টায় উপজেলার মিরপুর বাজার চৌমুহনার পুলের পাশ থেকে তাদের আটক করা হয়। অপহৃত স্কুলছাত্রী উপজেলার নতুন বাজার এলাকার শাহজালাল মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং ভাদেশ্বর ইউনিয়নের চিচিরকোট গ্রামের হরিধন চক্রবর্তীর মেয়ে। আটক নারী একই উপজেলার হিমারগাঁও গ্রামের সিদ্দিক আলীর মেয়ে ফাতেমা বেগম (২৫)।পুলিশ জানায়, ফাতেমা বেগম মঙ্গলবার সকালে শান্তার বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে তাকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে। বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করে সে বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার স্বজনরা। এক পর্যায়ে রাতে বাহুবল মডেল থানায় শান্তার বাবা বাদী হয়ে ফাতেমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এদিকে, বুধবার ভোরে শান্তাকে নিয়ে পালানোর উদ্দেশ্যে রওনা দিলে মিরপুর ব্যবসায়ী সমিতির পাহারাদার তোতা মিয়ার নজরে পড়ে। তিনি তাদের আটক করে মিরপুর ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে মিরপুর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. তারা মিয়া, সহ-সভাপতি আবিদ আলী বুধন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কদর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদ মিয়া, প্রচার সম্পাদক রুবেল মিয়া, দফতর সম্পাদক জুনাইদ মুন্সি উপস্থিত হয়ে বাহুবল মডেল থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রুপু কর মিরপুর ব্যবসায়ী সমিতির অফিসে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান।অপহৃত শান্তা জানায়, ফাতেমা তাকে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে আসে। বলে মিরপুরে তার দুলাভাইয়ের বাসায় ভাল স্যার থাকেন বলে জানায়।আটক ফাতেমা বেগম বলেন, শান্তার পরিবার খুব গরীব বলে তাকে নিয়ে একটি গার্মেন্টেসে চাকরি দিব বলে নিয়ে আসি। গত রাতে মিরপুর বাজারে আমার ভগ্নিপতি প্রবাসী লিটনের বাড়িতে থেকেছি।এখলাছুর রহমান খোকন/এসএস/এমএস