নিউইয়র্ক থেকে নাজমা খানম ঝর্ণার (৬০) মরদেহ (বাংলাদেশ) আজ শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের আটিপাড়া গ্রামের বাড়িতে আনা হবে বলে জানা গেছে।এর আগে বুধবার রাত ৯টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নাজমা খানম নিহত হন।নাজমা খানম শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তার স্বামী সামসুল হক শরীয়তপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক ছিলেন। নাজমার তিন সন্তান রয়েছে। দুই ছেলে লিটু ও শুভ এক মেয়ে ত্রিনা আক্তার। উল্লেখ্য, নাজমা খানম ঝর্ণা ১০ বছর আগে ডিবি লটারি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা হিলস এলাকায় থাকতেন। নাজমা বুধবার রাতে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে) তার ভগ্নিপতিকে নিয়ে কেনাকাটার জন্য বের হন। কেনাকাটা শেষে বাসায় আসার পথে ভগ্নিপতি একটু এগিয়ে যান। হঠাৎ করে পেছনের দিকে চিৎকার শুনে তাকালে দেখতে পান ২ থেকে ৩ জন দুর্বৃত্ত ছুরি দিয়ে নাজমার শরীরে আঘাত করে পালিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিক নাজমাকে জ্যামাইকা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নাজমা খানম ঝর্ণার ছাত্রী বৈশাখী বলেন, আমি নাজমা ম্যাডামের কাছে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি। আমি তার হাতে কখনো বেত দেখতাম না। আমাদের বেত ব্যবহার না করে বুঝিয়ে পড়াতেন। ম্যাডাম ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, হাস্যোজ্জ্বল এবং মমতাময়ী। এই মমতাময়ী মানুষটিকে আজ দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হতে হলো। আমি ম্যাডামের জন্য দোয়া করি।ছগির হোসেন/এসএস/পিআর