গাজীপুরের কালিয়াকৈরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক স্কুলছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত স্কুলছাত্রীর নাম মুন্নি (১৫)। সে স্থানীয় চাপাইর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। মুন্নি চাপাইর ইউনিয়নের কুতুবদিয়া গ্রামের কাঁচামাল ব্যবসায়ী শহীদের মেয়ে। নিহতের ভাই রিপন জানান, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে চাপাইর এলাকার আতাউর সরকারের ছেলে আরাফাত সরকার মুন্নিকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ ব্যাপারে আরাফাতের স্বজনদের কাছে বিচার দিলেও তারা বিষয়টি আমলে নেননি। এ নিয়ে আরাফাত বরং মুন্নি ও তার বাবা শহীদকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। আরাফাতের যন্ত্রণায় মুন্নিকে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল জানিয়ে স্থানীয়রা জানায়, কিন্তু ১ নভেম্বর পরীক্ষা থাকায় সে কয়েকদিন ধরে স্কুলে যাচ্ছিল। এ সময় সে মুন্নিকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার ভোরে আরাফাতকে মুন্নিদের বাড়ির কাছে দেখতে পান মুন্নির মা। এতো সকালে সে এখানে কি করছে জিজ্ঞাসা করতেই আরাফাত দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে মুন্নির ঘরে গিয়ে খাটের ওপর গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। মুন্নির মা অভিযোগ করেন, আরাফাতের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষুব্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধে মুন্নিকে হত্যা করেছে সে। কালিয়াকৈর থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল তাবির জানান, মুন্নির নিজ ঘরের বিছানার ওপর থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।‘Stalker’ kills schoolgirl in Gazipurআমিনুল ইসলাম/এআরএ/আরআইপি