দেশজুড়ে

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে ভোগান্তি

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। শহরের ৩৮ কিলোমিটার মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা। বিশেষ করে যশোর প্রেস ক্লাব থেকে রেলগেট, চাঁচড়া মৎস্য পল্লী থেকে চাঁচড়া চেকপোস্ট, পুলেরহাট বাসস্ট্যান্ড, নতুনহাট থেকে লাউজানি, ঝিকরগাছা ব্রিজের দুপাশ, থানা মোড় থেকে ঝিকরগাছার বালিখোলা, বেনেয়ালি ও গদখালি এলাকায় সড়কে ভোগান্তিতে চলাচল করতে হচ্ছে। এসব এলাকার সড়কগুলোতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের অধিকাংশ স্থানে পিচ উঠে যাওয়ায় যানবাহন যাওয়ার পর ধুলাই আচ্ছান্ন হয়ে যায়। ফলে যেকোন সময় প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনাও ঘটে।ইতোমধ্যে মহাসড়কের ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ ব্রিজের দুপাশে পিচের উপর ইটের রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল যাতায়াতের একমাত্র জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি তড়িঘড়ি করে পিচের উপর ইটের সলিং করে দায়সারাভাবে চলাচলের উপযোগী করায় এলাকাবাসী বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ের এই সড়কটি আরসিসি ঢালাই কিংবা পিচ মজবুত কার্পেটিং হওয়ার কথা থাকলেও তা পিচ থেকে রুপ নিয়েছে ইটের রাস্তায়। টানা বর্ষণে সড়কের ঝিকরগাছা কপোতাক্ষ ব্রিজের দুপাশসহ বিভিন্ন স্থানে বড়বড় খানা-খন্দ হওয়ায় প্রায়ই গাড়ি বিকলের সঙ্গে সঙ্গে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। গত সেপ্টেম্বর মাসে রাতে ব্রিজের দুপাশে কোয়াটার কিলোমিটার যশোর সড়ক ও জনপদ বিভাগ অধিদফতর (সওজ) পিচের উপর ইট দিয়ে সলিং করে দায়সারাভাবে চলাচলের উপযোগী করেছে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন সাতক্ষীরা জেলা ও বেনাপোল বন্দরের প্রায় ৫ সহস্রাধিক যাত্রী ও মালবাহী যানবাহন চলাচল করে। অথচ সড়কটির এই অংশ অত্যন্ত অবহেলিত।ঝিকরগাছা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকবাল আহম্মেদ রবি বলেন, শহরের বাইরে যতগুলো সড়ক আছে। তার মধ্যে এ সড়কের গুরুত্ব অনেক বেশি হলেও কর্তৃপক্ষ সেভাবে নজর দেয় না। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল উন্নয়ন অধিদফতরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রকৌশলী শ্যামল কুমার বসু জানান, সড়কটি সওজের হওয়ায় তারা নিজেরাই সাময়িকভাবে ঠিক করে নিয়েছেন। তবে পিচের উপর এভাবে ইটের সলিং করার বিষয়টি হাস্যকর বলে আখ্যা দেন তিনিও।সড়ক ও জনপথ বিভাগের যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী ইকবাল বলেন, একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদন হলে আগামী জানুয়ারি থেকে বেনাপোল-যশোর সড়কের কাজ শুরু করা হবে।মোঃ জামাল হোসেন/এএম/এবিএস