আসন্ন নাসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন তাদেরই স্বজনরা। আর এ নিয়েই ভোটারদের মধ্যে চলছে বিভিন্ন মুখোরচক গল্প ও আলোচনার ঝড়।১নং ওয়ার্ডে দুই সহোদর প্রার্থী হয়েছেন। এ ওয়ার্ডের কুমড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন আব্দুর রহিম। একই ওয়ার্ডে তার ভাই সিরাজুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে। আপন দুই ভাই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। সিরাজুল ইসলামের ঘনিষ্টজনরা জানিয়েছেন, গত নির্বাচনে ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম বড় ভাই আব্দুর রহিমের পক্ষে কাজ করেছিলেন। বিনিময়ে বড় ভাই আব্দুর রহিম এবারের নির্বাচনে (২০১৬ সালের) না দাঁড়িয়ে ছোট ভাই সিরাজুল ইসলামকে সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু এবার তিনি সিরাজুল ইসলামকে সমর্থন না দিয়ে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন। আবার সিরাজুল ইসলামও প্রার্থী হয়েছেন।এদিকে ১নং ওয়ার্ডেই ওমর ফারুক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক ঝুড়ি প্রতীক নিয়ে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন। একই ওয়ার্ডে আলহাজ্ব ওমর ফারুকের বাবা হাজী ইউনুছ মিয়া লাটিম প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে ছেলে ওমর ফারুকের ডামি (কৃত্রিম বা সাজানো) প্রার্থী হিসেবে হাজী মো. ইউনুছ মিয়া প্রার্থী হয়েছেন বলে তার ঘনিষ্টজনরা উল্লেখ করেছেন। অপরদিকে ৬নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবলীগের আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতি। এ ওয়ার্ডেই তার ভাগীনা মামুনুর রশিদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন লাটিম প্রতীক নিয়ে। তবে মামা মতিউর রহমান মতির ডামি (কৃত্রিম বা সাজানো) প্রার্থী হিসেবে মামুনুর রশিদ প্রার্থী হয়েছেন বলে এলাকাবাসী উল্লেখ করে। হোসেন চিশতী সিপলু/এফএ/জেআই