মাদারীপুরে দুই স্কুলছাত্রী ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) থেকে তিন আসামির নাম দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত দুই স্কুলছাত্রীর পরিবার।শনিবার সকালে মাদারীপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে নিহত স্কুলছাত্রী সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদার ও হ্যাপীর মা মুক্তা বেগম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম আসামি শিপন, রফিকুল ও সালমা বেগমের নাম বাদ দিয়ে গোপনে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছেন। এ অভিযোগপত্র প্রত্যাখান করে নারাজি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। এদিকে দুই স্কুলছাত্রী ধর্ষণ হত্যার সুষ্ঠু বিচারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন নিহত সুমাইয়া ও হ্যাপীর পরিবার।২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাদারীপুরের মস্তফাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া ও হ্যাপীকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। এরপর ধর্ষণে শেষে বিষ খাইয়ে তাদের হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করে স্বজনেরা। এ ঘটনায় সদর থানায় ও আদালতে ১১ জনকে আসামি করে আলাদা দুটি মামলা হলে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পায় মাদারীপুর সিআইডি পুলিশ। দীর্ঘ ১৫ মাস তদন্ত শেষে, গত ৭ নভেম্বর বাদীপক্ষকে না জানিয়ে মামলার প্রধান তিন আসামি- শিপন, রফিকুল ও সালমা বেগমের নাম বাদ দিয়ে রানা নাগাসী, মেহেদী, সজিব, আলামিন, নাজমুল, সাজন বেপারি, উজ্জ্বল শিকদার, রাকিব শিকদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।একে এম নাসিরুল হক/এএম/জেআইএম