জাতীয়

মংলায় ছাদ ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭

বাগেরহাটের মংলা বন্দর এলাকায় সেনাকল্যাণ সংস্থার এলিফ্যান্ট ব্র্যান্ডের সিমেন্ট ফ্যাক্টরির নির্মাণাধীন ৫ তলা ভবনের ছাদ ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭জন এ দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে আরো ৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে জীবিত উদ্ধারের সংখ্যা দাঁড়াল ৫০। নিহতদের মধ্যে ৩ জনের নাম পরিচয় জানা গেছে। এরা হলেন, মাহাফুজ হাওলাদার, আমির আকন্দি ও আল-আমিন। তাদের বাড়ি রামপাল উপজেলায়। শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত মংলার নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বাগেরহাট-মংলার ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে থাকা বাগেরহাটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শাহ আলম সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এখন ও উদ্ধার অভিযান চলছে বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানান, উদ্ধার হওয়া নিহতদের লাশ মংলা বন্দর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান শেষ হতে কত সময় প্রয়োজন তা তারা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। অন্যদিকে, আহতদের খুলনা শেখ আবু নাসের বিষেশায়িত হাসপাতাল, মংলা বন্দর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিৎকিসার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও অর্ধশতাধিক নির্মাণ শ্রমিক ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে ধারণা করা হচ্ছে। কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার মেহেদি মাসুদ জানান, ধসে যাওয়া ভবনটির ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ ভবনটি ধসে পড়ে। প্রাথমিকভাবে নির্মাণ কাজের ত্রুটির কারণে এ দুর্ঘনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন আহত-নিহতদের তালিকা প্রস্তুতকাজে নিয়োজিত এসআই সুফল। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ওই ভবনে দেড়শ জনের মত শ্রমিক কাজ করছিলো। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বর এ ভবটির কাজ শুরু হয়। সিএনবিএম ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড এ ভবনের কাজ করছিলেন। ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর ভবনের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ভবটির ব্যায় নির্ধারণ হয়েছে ২ কোটি ৮৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।এদিকে, ভবন ধসের ঘটনার পর থেকে নিহত ও আহত শ্রমিকদের স্বজনেরা ফ্যাক্টরির সামনে গিয়ে আহাজারি করতে থাকে। এখন পর্যন্ত স্বজনদেরকে ফ্যাক্টরির প্রধান ফটকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এসএইচএ/এমএস