গ্রামের মানুষের দেয়া খাবার খেয়ে জীবনধারণ করছেন ৮৮ বছর বয়সী বিধবা ইস্তারের মা নামের এক বয়োবৃদ্ধা। শরীরেও বাসা বেঁধেছে বিভিন্ন রোগ। সরকারি বিভিন্ন সুবিধা থেকেও বঞ্চিত এই বৃদ্ধা।রোগাক্রান্ত দেহ নিয়ে যেদিন কোথাও যেতে পারেন না সেদিন ঝুপড়ি ঘরেই প্রচণ্ড শীতে কাতর হয়ে অনাহারেই দিন কাটে তার। এ অসহায় বৃদ্ধার বাড়ি সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সোনাপুর গ্রামে।ইস্তারের মা জাগো নিউজকে বলেন, প্রায় দেড় যুগ আগে তার স্বামী মারা গেছেন। তিন ছেলে ও দুই মেয়ে বিয়ের পর যে যার মতো সংসার করছেন। মাঝে মধ্যে দেখতে আসেন তারা। বয়স্কভাতা কিংবা বিধবাভাতা পাচ্ছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না রে বাবা, আমারে দেয় না। গ্রামের মানুষের দেয়া দানাপানি খাইয়াই বাঁইচা আছি। যেদিন কেউ দেয় না সেদিন না খাইয়াই ঘুমাইয়া যাই।’ জীবনের শেষপ্রান্তে এসে এই বৃদ্ধা শান্তিতে দুমুঠো খেয়ে মরতে চান। এ বিষয়ে স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলাম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছর মাত্র ৮টি বয়স্কভাতার কার্ড পেয়েছি। ছোট-বড় মিলিয়ে ১১টি পাড়া-মহল্লা রয়েছে ওয়ার্ডে। কজনের কথা মনে রাখা যায়। চেষ্টা করবো আগামীতে ওই নারীকে বয়স্কভাতার কার্ড দেয়ার জন্য। সংরক্ষিত ইউপি সদস্য শারমিন সুলতানা জাগো নিউজকে বলেন, আগামীতে ওই নারীকে বয়স্কভাতার কার্ড দেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রসূন কুমার চক্রবর্তী জাগো নিউজকে বলেন, খোঁজ নিয়ে দ্রুত ওই নারীকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে। আরএআর/জেআইএম