ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবিতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ৩ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সাকালে সুগন্ধার নদীতে ভেসে ওঠা মরদেহগুলো উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী এবং সদর থানা পুলিশ। ঝালকাঠি ফায়ারস্টেশন লিডার মো. গোলাম রসুল জানান, পোনাবালিয়ার নিখোঁজ নির্মাণ শ্রমিক আলম জোমাদ্দার (৩৫) ও রাজা মলিকের (৩৫) মরদেহ সুগন্ধা নদীর পুরাতন কলেজ খেয়াঘাটে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভেসে ওঠে। সদর থানা পুলিশের সহায়তায় ফায়ারসার্ভিস কর্মীরা সেগুলো উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।অপরদিকে তসলিম (৩১) নামের নির্মাণ শ্রমিকের মরদেহ রাজাপুর উপজেলার মানকি গ্রামের সাইক্লোন শেল্টার এলাকায় ভেসে ওঠে। সকাল সাড়ে ৯টায় খবর পেয়ে ফায়ারকর্মী ও পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। তাকেও সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, অপারেশন) মাহে আলম জানান, শুক্রবার সকালে স্টিমারের সঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রলারের ধাক্কায় নিখোঁজ ৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের কাজ সম্পন্ন হলে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী হস্তান্তর করা হবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শহরের পৌর খেয়াঘাট সংলগ্ন সুগন্ধা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। সকালে ঘন কুয়াশার মধ্যে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়েনের রাজাপুর গ্রামের সুগন্ধা নদীর খেয়াঘাট থেকে চালকসহ ১১ জন যাত্রী নিয়ে খেয়াপারের ট্রলারটি শহরের পৌরসভা খেয়াঘাট যাচ্ছিল। এসময় মাঝ নদীতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী স্টীমার মধুমতির ধাক্কায় ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। এতে চালকসহ ট্রলারের ৮ যাত্রী স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় তীরে উঠতে সক্ষম হন। নিখোঁজদের সন্ধানের দাবিতে নৌপথে মাইকিং করা হয়েছিল। আতিকুর রহমান/এফএ/এমএস