দেশজুড়ে

‘সুমনের মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত হত্যা’

ঝালকাঠির রবি কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি মেহেদী হাসান সুমনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সড়ক দুর্ঘটনা বলে প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের মা শেফালী বেগম। সোমবার বেলা ১১টায় ঝালকাঠি টাউনহলের একটি কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন তিনি। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ভাই হালিম হাওলাদার ও ফুফাতো ভাই ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর দুলাল হাওলাদারের সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল সুমনের। এনিয়ে আদালতে উভয় পক্ষের দেওয়ানি ও ফৌজদারী ৮-৯টি মামলা চলমান আছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি রবি কোম্পানিতে চাকরিরত মেহেদী হাসান সুমন মামলাগুলোতে আসামি ও স্বাক্ষী থাকায় পরিচালনা করতো। এ কারণে দীর্ঘ দিন আগে থেকে সোহাগকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। নজরদারি করা হয় তার গতিবিধির উপরেও। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কোম্পানির কাজ শেষে মোটরসাইকেলযোগে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠি’র উদ্দেশ্যে ফেরার সময় আনুমানিক সাড়ে ৭টায় রাজাপুর-ঝালকাঠির সীমান্ত এলাকা বাড়ৈবাড়ি নামক স্থানে পৌঁছলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা ২-৩টি মোটরসাইকেলযোগে হামলা চালায়। এতে সুমন ঘটনাস্থলেই নিহত হয় এবং মোটরসাইকেলের চালক বিদ্যুৎকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান নিহত সুমনের মা শেফালী বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুমনের চাচা মো. মাসুদুর রহমান, বোন তায়েবা বেগম ও ভাই ইমন হাওলাদার। আতিকুর রহমান/এফএ/জেআইএম