যশোরের ভবদহ অঞ্চল পরিদর্শন করলেন পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম (বীরপ্রতীক)। বৃহস্পতিবার দুই মন্ত্রী ভবদহ অঞ্চল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা এ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এ বছর খাল খনন করে আগামী বর্ষা মৌসুমের জলবদ্ধতার মোকাবেলা করা হবে বলে জানান দুই মন্ত্রী। ভবদহ স্লুইস গেট সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারা। এর আগে সকালে নওয়াপাড়ায় খাল পরিদর্শন ও অভয়নগরের মশিয়াহাটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে পথসভায় বক্তব্য রাখেন তারা।ভবদহ এলাকায় মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, এপ্রিল-মে শুষ্ক মৌসুমের মধ্যে যেন স্লুইস গেটগুলো কার্যশীল হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। একটি স্কভেটর রয়েছে। আরও একটি এনে শুষ্ক মৌসুমেই খনন করা হবে। যাতে বর্ষ মৌসুমের আগে পানি জমতে না পারে। আপাতত এ বছরের মধ্যে টিআরএম চালু সম্ভব হচ্ছে না। তবুও আমরা এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণে রাখবো। টিআরআর প্রকল্প মহাপরিকল্পনায় রয়েছে। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আমডাঙ্গা খালসহ ছোটখাটো খালগুলো সংস্কারের চিন্তাভাবনা রয়েছে। এ মৌসুমে না পারলেও আগামী মৌসুমে খালের জমি অধিগ্রহণ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বলেন, ভবদহ অঞ্চলেরর জলাবদ্ধতা নিরসন জননেত্রী শেখ হাসিনার সুশাসনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। অল্প সময়ের মধ্যে পানি নিষ্কাশন সম্ভব হওয়ায় এখানকার কৃষকরা নতুন আশায় বুক বেঁধেছেন। ফসল উঠলে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। ভবদহ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা এখন তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের দুঃখ দুর্দশা সরেজমিনে দেখছি। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেই সমস্যা সমাধানের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর কবির, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আবদুস সামাদ, যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর। এছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জনপ্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন।মিলন রহমান/এএম/জেআইএম