মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে কোনো পেপারস লাগবে না। পেপারস ম্যান্ডেটরি নয়। যদি সহযোদ্ধারা সাক্ষী দেয় এবং বলে সে ট্রেনিং নিয়েছে ও যুদ্ধ করেছে, তাহলেই যথেষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, কেউ একা একা যুদ্ধ করেনি। শনিবার সকালে বন্দর উপজেলার গোকুলদাসের বাগ এলাকায় আমিজ উদ্দিন এতিমখানায় সানড্রা ম্যাককারসি হলের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী আরো বলেন, যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে, তা অনুসরণ করে যাচাই-বাছাই হলে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আসার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও যদি কোথাও বরখেলাপ হয়, তাহলে সেটা বাতিল করে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রত্যেক শনিবার এ কার্যক্রম চলবে। যাতে কোনো অসত্য তথ্য দেয়া না হয়। এজন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানোর জন্য যারা মিথ্যা সাক্ষী দেবেন ওই সব মুক্তিযোদ্ধার ভাতা এক থেকে তিন বছর বন্ধ থাকবে। আইন মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা পাওয়ার পর আইনানুগভাবে তাদের সম্পদ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেয়া হবে। রোটারিয়ান এম জামালউদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা রোটারিয়ান গভর্নর মুহাম্মদ আইয়ুব, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী হাবিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মতিয়ার রহমান, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর থানা পুলিশের ওসি আবুল কালাম প্রমুখ। শাহাদাত হোসেন/এআরএ/জেআইএম