দেশজুড়ে

সৈনিকলীগের সভাপতি হত্যায় গ্রেফতার ৪

নারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি তারা মিয়া হত্যা মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাতে আশুলিয়া ও সাভার স্মৃতিসৌধ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন, রূপগঞ্জ উপজেলার হাউলিপাড়া এলাকার মৃত বাহারের ছেলে আইবুর, মৃত লতিফ মিয়ার ছেলে সাইদুর রহমান, বড়ভিটা এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে নুরুল ইসলাম ও নুর হোসেনের ছেলে জামান। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আশুলিয়া এলাকা থেকে তারা মিয়া হত্যা মামলার আসামি আইবুর, সাইদুর রহমান ও সাভারের স্মৃতিসৌধ এলাকা থেকে নুরুল ইসলাম ও জামানকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেও জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলখালীসহ আশপাশের এলাকার বালুর ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি তারা মিয়াসহ তার লোকজনের সঙ্গে অপর আওয়ামী লীগ নেতা আইবুর মিয়া, আক্তার হোসেন চুন্নু, বিল্লাল মুন্সী, শিপনসহ তাদের লোকজনের বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর দুপুরে আইবুর মিয়াসহ তার লোকজন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা মিয়াকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং হামলা চালায়। এসময় তারা মিয়াসহ তার লোকজনও পাল্টা হামলা চালায়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজনই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে তারা মিয়াকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী স্বপ্না বাদী হয়ে ১১ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরো ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এছাড়া সন্দেহজনক হিসেবে জাব্বার মেম্বারকেও মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, তারা হত্যা মামলার পলাতক বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। অতি শিগগিরই তাদেরও গ্রেফতার করা হবে। মীর আব্দুল আলীম/এফএ /পিআর