গোপালগঞ্জে শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ দিয়ে বিদ্যোৎসাহী কোটায় একটি মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ায় কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।বৃহস্পতিবার পূর্ব উত্তর কোটালীপাড়া দারুচ্ছুন্নাত ছালেহিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন খান বাদী হয়ে কোটালীপাড়া সহকারী জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। অপর দুই বিবাদী হলেন- ওই মাদরাসার আরেক বিদ্যোৎসাহী প্রতিনিধি আতিয়ার রহমান ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালযের রেজিস্ট্রার।মামলার বিবরণে জানা গেছে, মামলার ১-নং বিবাদী কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ূন কবীর শিক্ষাবিদ নয়। কারণ তিনি উচ্চ শিক্ষিত নন। শিক্ষানুরাগী ক্যাটাগরিতে এ কারণে তিনি সদস্য হতে পারেন না। তিনি ইসলামি আরবী বিশ্ববিদ্যালয় বরাবরে বি এ পাশের যে সনদ পত্র দাখিল করেছেন তা জাল। অ্যাডওয়ার্ড ইউনিভারসিটি নামক প্রতিষ্ঠান থেকে ২০০৯ সালে ২০ এপ্রিল তারিখে উল্লেখিত যে সনদপত্রটি তিনি দাখিল করেছেন তাতে বিশ্ববিদ্যালযের ঠিকানা এবং পাশের তারিখ যথাযথভাবে পরিলক্ষিত নয়। এছাড়া উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে কোথাও স্বীকৃতি নেই। উচ্চ শিক্ষিত না হয়েও তিনি বিধি বিধান লঙ্ঘন করে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন পেযেছেন। মামলার বিবরণে আরও জানা যায়, ওই জাল সনদপত্র দ্বারা তিনি কোটালীপাড়া ভাঙ্গারহাট কাজী মন্টু কলেজ, হিজলবাড়ী শেখ রাসেল কলেজ, গচাপাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে এবং কোটালীপাড়া পাবলিক ইনস্টিটিউশন ও পূর্ব উত্তর কোটালীপাড়া দারুচ্ছন্নাত ছালেহিয়া ফাজিল মাদরাসার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এস এম হুমায়ূন কবীর/আরএআর/পিআর