দেশজুড়ে

অস্ত্রসহ আটকের ঘটনা সাজানো নাটক দাবি পরিবারের

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কেরুণতরীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও গোলাবারুদসহ ২ জনকে আটক করেছে র‌্যাব।

তবে র‌্যাবের এ অভিযানকে সাজানো নাটক বলে দাবি করেছে আটক একজনের পরিবার।

শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল ৭টা পর্যন্ত অভিযানের পর তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি খামারবাড়ি থেকে দেশি-বিদেশি ১২টি অস্ত্র, ৮৫ রাউন্ড কার্তুজ ও ২০৯টি গুলির খোসা জব্দ করা হয়।

আটকরা হলেন, মহেশখালীর হোয়ানক কেরুনতলীর মৃত হাজী আবদুল মাবুদের ছেলে মো. সেলিম (৩৫), কালালিয়াকাটার জাফর আহমদের ছেলে মো. এরশাদুল্লাহ (২৬)।

র‌্যাব-৭ কক্সবাজারের কোম্পানি কমান্ডার মেজর রুহুল অমিন জানান, মহেশখালীর গহীন পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি বাহিনীর সংঘবদ্ধ চক্র অস্ত্র তৈরি করে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল উপজেলার কেরুনতরীর দুর্গম পাহাড়কে ঘিরে অভিযান চালায়। সেখান থেকে দুই যুবককে আটক করতে সক্ষম হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো মতে জনৈক স্বপন (৩৮)’র খামারবাড়ী তল্লাশি করে মোট ১২টি দেশীয় অস্ত্র, ৮৫ রাউন্ড গুলি ও ১০৬টি খালি খোসা উদ্ধার করা হয়। আটকরা অবৈধ অস্ত্র মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার কথা স্বীকার করেছে।

আটক সেলিমের বিরুদ্ধে ৩টি হত্যাসহ ১২টি এবং এরশাদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৬টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের এ কর্মকর্তা।

তবে সেলিমের পরিবারের দাবি, জমি সংক্রান্ত্র বিরোধ থাকায় প্রতিপক্ষ এসব অস্ত্র দিয়ে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। সেলিমদের আদি নিবাস মহেশখালী হলেও তারা স্বপরিবারে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ায় নিজস্ব বাড়িতে থাকেন। বিপুল সম্পদ থাকায় চাষাবাদের কারণে তারা মহেশখালী আসা যাওয়া করে থাকেন।

উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি মহেশখালীর আরেক পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্রের কারখানায় অভিযান চালিয়ে ২২টি দেশীয় অস্ত্র, ২২টি গুলি ও ৩৩টি অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ দুই কারিগরকে আটক করেছিলেন র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা।সায়ীদ আলমগীর/এফএ/জেআইএম