দেশজুড়ে

রাজাপুরে পুলিশের লাঠিচার্জে ১০ শিক্ষার্থী আহত

চলন্ত বাস থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে ফেলে আহত করার প্রতিবাদে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় কলেজছাত্রদের সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে কমপক্ষে ১০ ছাত্র আহত হয়েছে। আহতরা হলো- শামীম, নাঈম মাহাম্মুদ, বাপ্পি, তরিকুল, ফিরোজ, হাসান, সাকিব, সোহেল, রাব্বি, জোবায়ের। তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে। বুধবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার রাজাপুর ডিগ্রি কলেজের সামনে রাজাপুর-ভান্ডারিয়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের সাথে ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আহত কলেজছাত্র নাঈম মাহমুদ বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে রাজাপুর ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের ৪ ছাত্রকে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয় বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার। এতে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় চার ছাত্র। এর প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালনকালে পুলিশ ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। লাঠিচার্জে কমপক্ষে ১০ জন ছাত্র আহত হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর দেড়টার থেকে আঘাঘণ্টা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালনকালে রাজাপুর ভান্ডারিয়া সড়কে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায় দূরপাল্লার অসংখ্য বাসসহ যানবাহন আটকে পড়ে। পরে পুলিশের লাঠিচার্জে অবরোধকারীরা ছত্রভঙ্গ হলে সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।এ ব্যাপারে রাজাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গিয়াস বলেন, ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয়নি। সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে পুলিশের সাথে ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।জানা গেছে, ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া রুটের নূর-নোহা নামের একটি বাসে মঙ্গলবার দুপুরে রাজাপুর ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে কলেজের একাদশ শ্রেণির ৪ ছাত্র গালুয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসে উঠে। পথিমধ্যে চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালে নারী যাত্রীরা প্রতিবাদ করে। কিন্তু এতে চালক ক্ষিপ্ত হয়ে বাসের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়। পরে উপজেলার কৈবর্তখালী এলাকায় গাড়ি গতিরোধ না করে গিয়াস ও মেজবাহ নামের দুই ছাত্রকে ফেলে দেয়। এতে  দুই ছাত্রের মাথা ফেটে যায়। মো. আতিকুর রহমান/এএম/আরআইপি