ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির ভিডিও প্রচার হয় ফেসবুকে। ফেসবুকে প্রকাশিত সেই ভিডিওর সূত্র ধরে জাগো নিউজসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়। কিন্তু অভিযুক্ত যুবক মো. রেজাউল চৌধুরী এ সংবাদ প্রকাশ করায় চার সংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতে গিয়ে নিজেই কারাগারে গেছেন।বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন বাদী হয়ে অভিযুক্ত যুবক মো. রেজাউল চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। ঝালকাঠির কোর্ট ইন্সপেক্টর হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার একটি এলাকায় বোরকা পরিহিত এক স্কুলছাত্রীকে পথরোধ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার বোরকা না খোলায় শ্লীলতাহানি করে কয়েকজন যুবক। আর সম্প্রতি এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যাওয়া শ্লীলতাহানিকারী যুবক নলছিটি উপজেলার নান্দিকাঠী গ্রামের দুলাল চৌধুরীর ছেলে মো. রেজাউল চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। কিন্তু এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার সাংবাদিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে যান। এ সময় বিষয়টি ফেসবুকের মাধ্যমে আগেই অবগত থাকায় স্বপ্রণোদিত হয়ে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ১৯০ (১) (সি) ধারায় দণ্ডবিধির ২৯৫এ/৩৫৪/৫০৬/৫০৯ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন বাদী হয়ে মামলা (নং ৪১১৭/১৭) দায়ের করে ঘটনায় জড়িত রেজাউলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আতিকুর রহমান/আরএআর/আরআইপি