টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান মিল্টন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকেলে ওই গৃহবধূকে অসুস্থাবস্থায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।নির্যাতিত গৃহবধূ কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তাদের বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ চলছে। ওই বিরোধ নিষ্পত্তিতে পক্ষে রায় দেয়ার কথা বলে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে আনা হয়। পরে কালিহাতীতে মীমাংসা হবে এমন কথা বলে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে উপজেলার এলেঙ্গায় একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এতে তার রক্তক্ষরণ হলে ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টন সিদ্দিকী তাকে মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে যান।নির্যাতিত গৃহবধূর মা জানান, তার মেয়েটির বয়স ১৬-১৭ বছর, প্রায় চার বছর আগে পাশের গ্রামে তার বিয়ে হয়। সালিশ-মীমাংসা করার কথা বলে ইউপি চেয়ারম্যান তার মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।নাগবাড়ী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সদস্য আ. হালিম জানান, ধর্ষিতার মায়ের ফোন পেয়ে তিনি হাসপাতালে এসেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান মিল্টন সিদ্দিকীর এটি প্রথম ঘটনা নয়। এরআগেও তিনি একাধিকবার নারীসহ জনতার হাতে ধৃত হয়েছেন। একাধিকবার তাকে নিয়ে গ্রাম্য সালিশও হয়েছে। তিনি এ জঘন্যতম ঘটনার জন্য ওই ইউপি চেয়ারম্যানের ফাঁসি দাবি করেন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান মিল্টন সিদ্দিকী বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। এটি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।আরিফ উর রহমান টগর/এএম/এমএস