আসামিকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে আদালতে হাজির করায় জেলা কারাগারের জেল সুপারকে তলব করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক আমজাদ হোসেন। তাকে আদালতে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তলব করা হয়।
বুধবার বিকেলে আদালতের পেশকার গোলাম নবী এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত রোববার দুইজন আসামিকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে এজলাস কক্ষে উপস্থিত করায় তাৎক্ষণিক কোর্ট পুলিশের পরিদর্শককে আদালত তলব করা হয়।
এ সময় কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সোহেল আলম হাজির হয়ে আদালতকে বলেন, আসামিদের ডান্ডাবেড়ি পুলিশ লাগায় না। কারাগার থেকে আসামিকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। ওই বিষয়ে এখনো জেলা কারাগারের জেল সুপার কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
গোলাম নবী আরও বলেন, আদালতের তলবের বিষয়টি অবগতির জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে চিঠি দেয়া হয়েছে।
কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক সোহেল আলম এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ডাণ্ডাবেড়িটা হলো লোহার রিং। এর একপাশ খোলা থাকে। আসামিদের পায়ে পরিয়ে খোলা পাশটি লোহা দিয়ে লাগিয়ে দেয়া হয়। এটি কামারের কাজ। এই ডাণ্ডাবেড়ি কোর্ট পুলিশের খোলার বা লাগানোর লোক নেই। যারা কারাগারে ডান্ডাবেড়ি লাগিয়ে দেয় তারাও আসামি।
আদালতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল খালেক বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ এখনো এমন আদেশ কারাগারকে দেয়নি। তবে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত দিয়েছেন কিনা আমার জানা নেই।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ আদালতের নির্দেশ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়া হবে।
মো. শাহাদাত হোসেন/এএম/এমএস