নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়ালো।
শনিবার দুপুরে ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দল মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহতের নাম শিল্পী বেগম (৩৪)। তিনি ঢাকার রামপুরা এলাকার ট্রলার ডুবিতে নিহত আব্দুস সাত্তার মিয়ার (৪০) স্ত্রী।
সোনারগাঁ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাকসুদুর রহমান বলেন,দুপুরে মরদেহটি নদীতে ভাসতে দেখে উদ্ধার করা হয়। নিহতের ভাই জাকির হোসেন পরিচয় সনাক্ত করার পর তার কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নদীতে আরও মরদেহ থাকতে পারে এ জন্য ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুইদিনে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে শুক্রবার ছয় জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন- ঢাকার রামপুরা এলাকার হারুন ভাণ্ডারীর স্ত্রী বানু বেগম (৪৫), একই এলাকার শফিক মিয়ার মেয়ে রুবিনা আক্তার (৩০), রুবিনার মা শাফিয়া আক্তার (৪৬), রামপুরা এলাকার জয়বুন নেছা (৬৫) এবং তার দুই মেয়ে রানু আক্তার (৩২) ও সান্তা আক্তার (২৮)।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালে ৩০ থেকে ৪০ জন যাত্রী রাজধানীর রামপুর থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে চাঁদপুরের মতলবের বেলতলি সোলেমান শাহ ওরফে লেংটার মেলায় যাচ্ছিলেন। বিকেল ৪টার দিকে সোনারগাঁয়ের চার কিশোরগঞ্জ এলাকাতে মেঘনার ঢেউয়ে নৌকাটি ডুবে যায়।
পরে বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালিয়ে এক শিশু, দুই নারীসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। ওই সময়ে উদ্ধারকৃতরা হলেন- ঢাকার রামপুরা এলাকার আব্দুস সাত্তার (৪০), তার মেয়ে লামিয়া (৫), জোহরা বেগম (৬০), কাঞ্চন বেগম (৬৫)।
শাহাদাত হোসেন/আরএআর/জেআইএম