বরগুনায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মুক্তিযোদ্ধার তালিকাভুক্তিতে উৎকোচ গ্রহণ, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম না আসার অভিযোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে বরগুনা সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি যাচাই-বাছাই শেষে গত ৭ মে নিবন্ধিত মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হয়েছে। কিন্তু এ তালিকার অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধারা প্রকৃত মৃক্তিযোদ্ধা নয় দাবি করে বক্তারা বলেন, আমরা যারা মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছি তারা সবাই প্রকৃত মৃক্তিযোদ্ধ।
বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ না করেই যুদ্ধের সময় যারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল তাদের নাম উৎকোচের বিনিময়ে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের সময় তাদের কাছে উৎকোচ চাওয়া হয়েছে জানিয়ে বক্তারা বলেন, আমরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় তাদের এ অন্যায় আবদার পূরণ করিনি। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আমাদের নাম বাদ দিয়ে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ সময় তারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
এ সময় বক্তব্য দেন গোলাম ছগির মজনু, একেএম হাফিজুর রহমান মন্টু, মো. আবদুল লতিফ খান, মজিবুর রহমান মৃধা প্রমুখ।
এ বিষয়ে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবদুর রশীদ বলেন, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইর সময় কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়নি। যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তাদের নামই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
সাইফুল ইসলাম মিরাজ/আরএআর/এমএস