দেশজুড়ে

সুজানগর ছাত্রলীগ সভাপতির হাতে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লাঞ্ছিত

পাবনা সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শামিম আদম লিটন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাইকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল অফিসে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা ছাত্রলীগের এই নেতার বাবার নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় না ওঠায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি কমন্ডারের ওপর চড়াও হন।

সুজানগর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের রোকন বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যে তালিকা করা হয়েছিল তাতে শামিমের বাবার নাম নেই। সোমবার রাতে সে তার বাবার নাম তালিকায় ওঠাতে চাইলে ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাই তাকে বাধা দেন।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতা ক্ষুব্ধ হয়ে গালাগাল শুরু করেন এবং একপর্যায়ে শামিম আব্দুল হাইকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান আরও জানান, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আব্দুল হাইকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল অফিসের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করেন।

এ বিষয়ে আব্দুল হাই দুঃখ করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমি এ ঘটনায় ভীষণ লজ্জিত। এটা যদি আমার দলের লোক না হয়ে বিরোধীদলের লোক করত তাহলে কোনো লজ্জার বিষয় ছিল না। কিন্তু দলের লোক হওয়াতে আমি ক্ষুব্ধ ও বিব্রত। ঘটনাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে জানিয়েছি।

ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাইয়ের ভাই আব্দুল আলিম যতিন বলেন, ছাত্রলীগ নেতার হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় আমার ভাই হতভম্ব। ওই ছাত্রলীগ নেতা নিন্দনীয় একটি অপরাধ করেছেন। এ বিষয়ে মামলা করা হবে কিনা তা আমরা আমরা ভেবে দেখছি।

এদিকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করে শামিম আদম লিটন বলেন, আমি শারীরিকভাবে তাকে লাঞ্ছিত করেনি। তবে আমি এবং আমার সঙ্গে থাকা কয়েকজন উপজেলা ছাত্রলীগ কর্মীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হই।

একে জামান/এএম/আরআইপি