দেশজুড়ে

কাশেমের বাড়িতে শোকের মাতম

জীবিকার টানে নয় বছর আগে ছোট ভাই আবদুল জব্বার রাসেলকে নিয়ে আফ্রিকায় পাড়ি জমায় দাগনভুঞা পৌরসভার বেতুয়া গ্রামের অবদুল হকের ছেলে আবুল কাশেম। দু’ভাই মিলে সংসারের হালটা ভালোই ধরেছিলেন। ধার-দেনা শোধ করে গত বছর দেশে এসে বিয়েও করেন আবুল কাশেম। এরপর চলতি বছরের মার্চ মাসে আরো বেশি রোজগার করার আশায় আবুল কাশেম সেখান থেকে ইউরোপের আরেকটি দেশ সোয়াজিল্যান্ডে পাড়ি জমায়। একটি দোকান নিয়ে ব্যবসাও শুরু করেন তিনি। কিন্তু, সেটাই কাল হলো কাশেমের জীবনে। রোববার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।নিহতের ছোট ভাই রাসেল জানান, ওই দিন রাতে হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ে তিন যুবক। ভাইয়া দরজা খুলে দেয়ার সাথে সাথেই গুলি করে তারা পালিয়ে যায়। তবে তারা কোনো ধরনের মালামার লুট করেনি বলেও তিনি জানান।রাসেল আরো জানান, তার ভাই আবুল কাশেমের সাথে কারো কোনো রকমের দ্বন্দ্ব কিংবা সংঘাত নেই। ঠিক কি কারণে তাকে খুন করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।কাশেমকে দেশে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান নিহতের ছোট ভাই রাসেল। এদিকে আবুল কাশেমের মৃত্যুর খবর ছড়িযে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পুত্র শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছে মমতাময়ী মা। শোকে পাথর হয়ে পড়েছে বৃদ্ধ পিতা আবদুল হক।জহিরুল হক মিলু/এমএএস/আরআই