দেশজুড়ে

ঈদে যাত্রীদের জন্য নৌপথে বিশেষ ব্যবস্থা

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরে ফেরা মানুষের জন্য নৌপথে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরিসহ বিভিন্ন নৌযান দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সে ব্যাপারে কঠোর নজরদারি রাখা হবে।শনিবার বিকেলে মাদারীপুরের শিবচরের মৃতপ্রায় ময়নাকাটা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে খননকাজের  উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।তিনি বলেন, নদী খননের ফলে দেশের নদ-নদীগুলোর নাব্যতা দূর হবে এবং পলি অপসারণের মাধ্যমে নতুন রাস্তাঘাট তৈরি করা সম্ভব হবে। নদীতে নাব্যতা ফিরে এলে সাধারণ মানুষ কৃষিকাজে নদীর পানি সেচের কাজে ব্যবহার করতে পারবে।তিনি বলেন, চর টেকেরহাট-শিবচর নৌপথের খননকাজ শেষ হলে ঢাকার সঙ্গে শিবচরবাসীর নৌ যোগাযোগ উন্নত হবে এবং সারাবছর নির্বিঘ্নে নৌপথে মালামাল পরিবনের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। ময়নাকাটা নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে চর টেকেরহাট-শিবচর নৌপথের নাব্যতার উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো মূল লক্ষ্য।

তিনি এ সময় জানান, নৌপথটি খনন করা হলে পানির সর্বনিম্ন স্তরে অর্থাৎ শুষ্ক মৌসুমে ১২০ ফুট প্রশস্ততা ও ১০ ফুট গভীরতা বিদ্যমান থাকবে। সারাবছর ৮ ফুট ড্রাফটের নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, সংসদীয় দলের সেক্রেটারি ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি , মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি,  বিআইডবিøউটিএর  চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক, মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন খান, শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম তালুকদার, মাদারীপুর সহকারী পুলিশ সুপার সুমন দেব, শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুদ্দিন খান, শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহম্মেদ, শিবচর পৌরসভার মেয়র আওলাদ হোসেন খান প্রমুখ।পরে মন্ত্রী শিবচর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ খনন শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্যে চরটেকেরহাট থেকে শিবচর পর্যন্ত ময়নাকাটা নদীর ১১কিলোমিটার পথ খননের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ১১ কিলোমিটার পথে প্রায় ৮ লাখ ঘনমিটার খনন করা হবে বলে জানা গেছে।এ কে এম নাসিরুল হক/এসআর