যশোরের চৌগাছা উপজলার ছোট কাকুড়িয়া গ্রামের এক প্রতিবন্ধী যুবতীকে ধর্ষণের দায়ে কামরুল ইসলাম নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
কামরুল কংশারীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম মৃধার ছেলে। বুধবার এক রায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অমিত কুমার দে এ সাজা দিয়েছেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি ইদ্রিস আলী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ওই প্রতিবন্ধী যুবতী দিঘাড়ী যোগীপুল পাড়ায় বেড়াতে যায়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেন নি। রাতে তাকে খোঁজাখুঁজি করে উদ্ধারে ব্যর্থ হয় স্বজনেরা। পরদিন সকালে খড়িঞ্চা কামালপুর মোড় থেকে ওই প্রতিবন্ধী যুবতীকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর তিনি জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আসামি কামরুল ইসলাম তাকে ফুসলিয়ে মোটরসাইকেলে কংশারীপুর গ্রামের শুকুর আলীর পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। এরপর সারারাত কামরুল তাকে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে ওই যুবতীর বাবা বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে ৭ এপ্রিল আসামি কামরুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মমিনুল ইসলাম।
এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম কারাগারে আটক আছেন।
মিলন রহমান/এমএএস/জেআইএম